আম ব্যবসায়ীদের মন্দা বাজার

রাজশাহীর আমের বাজারে বিক্রেতা আছে ক্রেতা নেই

Sadek Ali
ওবায়দুল ইসলাম রবি, রাজশাহী ব্যুরো
প্রকাশিত: ১২:০৫ অপরাহ্ন, ২৪ মে ২০২৬ | আপডেট: ১:৫২ অপরাহ্ন, ২৪ মে ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

রাজশাহীর দ্বিতীয় বৃহত্তম বানেশ^র হাটে আমের বাজারে বিক্রেতা আছে কিন্ত ক্রেতা নেই। হতাশ আম ব্যবসায়ীরা। আসন্ন ঈদুল আযহার কারনে মন্দা আমের বেচা-কেনা। ব্যবসায়ীরা আশাবাদী ঈদের পরে আমের পরিপক্কতাও হবে গ্রাহক এবং বাজার মূল্য ভালো হবে।  

আমের বাজারে বিক্রেতা আছে ক্রেতা নেই। আম বাগানী ও ব্যবসায়ীদের মন্দার বাজার। প্রতি বছর দেশের সকল জেলা-উপজেলার জনমনে অধির অপেক্ষায় থাকে রাজশাহীর আমের স্বাদ নিতে। আসন্ন ঈদুল আযহার কারনে আমের দিকে ক্রেতাদের তেমন আগ্রহ নেই। 

আরও পড়ুন: শেরপুরে চতুর্থ শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ

শনিবার সকালে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে উত্তরবঙ্গে দ্বিতীয় বৃহত্তম বানেশ^র হাটে আম বিক্রেতা আসতে শুরু করে। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত তাদের কেনা-বেচার সময়। সপ্তাহে দুই দিন শনিবার ও মঙ্গলবার বানেশ^র হাট বসে। ম্যাঙ্গো ক্যালেন্ডার অনুসারে ২২ মে থেকে ভালো জাতের আমের বাজার জমে উঠবে। 

জেলা প্রশসাকের ম্যাঙ্গো ক্যালেন্ডার অনুযায়ী আমের তেমন পরিপক্কতা আসেনি বলে দাবি করেছেন বাগানী ও ব্যবসায়ীরা। তবে গুটি আমের ক্ষেত্রে সমস্যা না হলেও গোপাল ভোগ, খিরসাপাতাসহ বিভিন্ন ভালো জাতের আম গুলোর পরিপক্কতার সময় লাগবে বলে জানিয়েছে আম বাগানী ও ব্যবসায়ীরা। 

আরও পড়ুন: নরসিংদীর চরাঞ্চলে কান ধরে ওঠবস করিয়ে ৬ পুলিশ সদস্যকে মুক্তি

প্রসঙ্গত, আসন্ন কুরবানী মুসলিমদের প্রধান লক্ষ্য। যার কারনে সবাই পশুহাটের দিকে বেশি ঝুকছেন। স্থানীয় পর্যায়ে কিছুটা কেনা-বেচার করছেন ব্যবসায়ীরা। যা হয়তো দৈনন্দিন খরচের টাকাও হবে না। সর্বপরি তারা ঈদের পরে প্রত্যাশিত আমের বাজার পাবে বলে মনে করছেন। 

কৃষি দপ্তর জানিয়েছে, ঈদের পশুর হাট অপরদিকে আমের বাজার দুটই একই সঙ্গে। তবে মুসলিম ধর্মপ্রাণ মানুষের এই ঈদের প্রধান কাজ হচ্ছে পশু কুরবানী দেওয়া। যার কারনে সবাই কুরবানী নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছে। সরকারী ছুটিতে সবাই নিজ গ্রামের বাড়িতে ফিরছে। ছুটি শেষে নিজ কর্মস্থলে ফেরার পর থেকেই আমের বাজার উঠতে শুরু করবে বলে, ধারনা করছেন কর্মকতা বৃন্দ।