ওসমান হাদির ওপর সশস্ত্র হামলায় তিন দলীয় জোটের তীব্র নিন্দা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা–৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির ওপর সশস্ত্র হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ, নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে তিন দলীয় গণতান্ত্রিক সংস্কার জোট। জোটের নেতারা এ হামলাকে গণতন্ত্র, আইনশৃঙ্খলা ও নাগরিক নিরাপত্তার ওপর সরাসরি আঘাত এবং নির্বাচন বানচালের সুস্পষ্ট অপচেষ্টা হিসেবে অভিহিত করেছেন।
শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে প্রতিক্রিয়া জানান জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জোটের মুখপাত্র নাহিদ ইসলাম, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ূম এবং আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু।
আরও পড়ুন: ঈদ উদযাপন শেষে লন্ডনের উদ্দেশ্যে রওনা জোবাইদা রহমান
বিবৃতিতে নেতারা বলেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরপরই “ফ্যাসিবাদের দোসররা” পরিকল্পিতভাবে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নির্বাচনী পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা করছে। রাজনৈতিক ভিন্নমত দমনে গুলি ও সশস্ত্র হামলার মতো বর্বর আচরণ কোনো সভ্য ও গণতান্ত্রিক সমাজে গ্রহণযোগ্য নয় বলেও মন্তব্য করেন তাঁরা।
তিন দলীয় গণতান্ত্রিক সংস্কার জোট আসন্ন নির্বাচনে সব প্রার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি জোরালো আহ্বান জানায়। জোট নেতাদের মতে, নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে সংঘটিত যেকোনো সহিংসতা চরমভাবে অগ্রহণযোগ্য এবং জনগণের নিরাপত্তা ও প্রার্থীদের অবাধ চলাচল নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব।
আরও পড়ুন: ঈদযাত্রায় ভাড়া অনিয়মে জাতি লজ্জিত: জামায়াত আমির
বিবৃতিতে শরিফ ওসমান হাদির দ্রুত আরোগ্য কামনার পাশাপাশি হামলাকারীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
উল্লেখ্য, শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর বিজয়নগরের বক্স কালভার্ট এলাকায় রিকশাযোগে যাওয়ার সময় মোটরসাইকেল আরোহী দুই দুর্বৃত্ত খুব কাছ থেকে শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সন্ধ্যার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।





