ঢাকা-১৮ আসনের এমপির ব্যক্তিগত সহকারী হলেন নাজমুল হোসেন জিকু
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ১৯১ নম্বর ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন-এর ব্যক্তিগত সহকারী (পিএ) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন এ. টি. এম নাজমুল হোসেন জিকু। গত ১৪ মে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের ডিসিপ্লিন অ্যান্ড প্রিভিলেজ শাখা থেকে জারি করা এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
সংসদ সচিবালয়ের সহকারী সচিব মারুফা সুলতানা স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়, জাতীয় বেতনস্কেল ২০১৫ অনুযায়ী এই নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে, যা গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে কার্যকর ধরা হয়েছে। শর্ত অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যের মেয়াদকাল অথবা তাঁর সন্তুষ্টির ওপর এই পদের স্থায়িত্ব নির্ভর করবে।
আরও পড়ুন: রিয়াদ বিমানবন্দর বন্ধ, বিপাকে ৪ হাজার ৮৫১ যাত্রী
নবনিযুক্ত ব্যক্তিগত সহকারীর প্রতিক্রিয়া
দায়িত্ব পাওয়ার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় নাজমুল হোসেন জিকু বলেন—“মাননীয় সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন আমার ওপর যে আস্থা রেখেছেন, তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। ঢাকা-১৮ আসনের সর্বস্তরের মানুষের কল্যাণে এবং অর্পিত দায়িত্ব সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করতে সবার দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।”
আরও পড়ুন: বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে নাগরিক বান্ধব করতে এসটিএসের সৌন্দর্যবর্ধন করলো ডিএসসিসি
নিয়োগের পটভূমি
গত ২১ ফেব্রুয়ারি সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন একটি আধা-সরকারি পত্র (ডিও লেটার) এর মাধ্যমে নাজমুল হোসেনকে ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে নিয়োগের সুপারিশ করে সংসদ সচিবালয়ের সচিব বরাবর প্রেরণ করেন।
নাজমুল হোসেন জিকুর গ্রামের বাড়ি ছাগলনাইয়া উপজেলায়। তবে শৈশব থেকেই তিনি ফেনী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ফলেশ্বর এলাকায় বেড়ে ওঠেন। তিনি অধ্যাপক জয়নাল আবদিন (ভিপি জয়নাল)-এর ভাতিজির ছেলে হিসেবে পরিচিত।
তিনি সাবেক সামরিক কর্মকর্তা মরহুম জাকির হোসেন ভূঁইয়া ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকা লায়লা বেগম দম্পতির সন্তান। বর্তমানে তিনি রাজধানীর উত্তরা ১৪ নম্বর সেক্টরে বসবাস করছেন। তাঁর স্ত্রী একজন সরকারি কর্মকর্তা এবং তাঁদের একমাত্র কন্যা উত্তরা এলাকার একটি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে প্রথম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত।
উচ্চশিক্ষার জন্য ২০১০ সালে ফেনী কলেজ থেকে এইচএসসি সম্পন্ন করে তিনি BGMEA University of Fashion & Technology-এ অধ্যয়ন করেন। পরবর্তীতে তিনি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হন এবং এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের নির্বাচনী কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।
তিনি ২০২০ সালের উপ-নির্বাচন এবং ২০২৪ সালের নির্বাচনে নির্বাচনী পরিচালনা কমিটিতেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।





