জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে ঢাবি-জাবিতে কেউ শহিদ হয়নি, দাবি হাবিবুর রহমানের

Any Akter
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩:২৩ অপরাহ্ন, ৩০ জানুয়ারী ২০২৫ | আপডেট: ১:৩৪ অপরাহ্ন, ৩০ জানুয়ারী ২০২৫
জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বক্তব্য দিচ্ছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব। ছবিঃ সংগৃহীত
জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বক্তব্য দিচ্ছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব। ছবিঃ সংগৃহীত

বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব মন্তব্য করেছেন, জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো ছাত্র শহিদ না হলেও এই দুই প্রতিষ্ঠানের আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা এখন পুরো আন্দোলনের কৃতিত্বের দাবিদার। 

বুধবার (২৯ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে ২৪ জুলাই শহিদদের ও আহত পরিবারের প্রত্যাশা বাস্তবায়নের দাবিতে নাগরিক সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন: ৪৪তম বিসিএসে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ পেলেন ১,৪৯০ জন

হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, “আজ খুব কষ্ট লাগে, আহত নিহত পরিবারের জন্য রাস্তায় দাঁড়াতে হচ্ছে। এখানে যত আহত নিহত পরিবারের সদস্যরা আছেন তারা কেউই কোনো সাহায্য পাননি। অথচ সরকার হাজার হাজার কোটি টাকা উত্তোলন করল সেই টাকা কোথায় গেল? এই আন্দোলন ছিল বৈষম্যের বিরুদ্ধে, কিন্তু এখন দেখা যায় সব জায়গায় বৈষম্য আছে। এখন দেখা যাচ্ছে আহত পরিবারের সদস্যরাই বৈষম্যের শিকার।”

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন: জাপানে ৭ হাজারের বেশি পণ্য রপ্তানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে বাংলাদেশ

শহীদ আহনাফের পরিবারের পাশে তারেক রহমান

রাজনীতিতে নির্বাচনমুখী তৎপরতা

তিনি আরও বলেন, “এখন পর্যন্ত আহত-নিহতদের তালিকা তৈরি করা হয়নি। একই অবস্থা মুক্তিযোদ্ধাদের ও এখনো মুক্তিযুদ্ধের সঠিক তালিকা তৈরি করা হয়নি। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ আন্দোলনের সময় আহত-নিহত হয়েছিলেন। সরকারে তাদের প্রতিনিধি কোথায়? তারা বৈষম্যের শিকার। অথচ আমরা কথা বলতে গেলে আমাদের বলা হয় আওয়ামী লীগের দালাল। তাহলে আমাদের ৪-৫ শত নেতাকর্মী নিহত হলো কেন? গত ১৫ বছর আমাদেরই হাজার হাজার নেতাকর্মী গুম হয়েছে, জেল-জুলুম-অত্যাচারের শিকার হয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা হলো আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় অবৈধভাবে সাজা দেওয়া হয়েছিল। সবচেয়ে বেশি নির্যাতনের শিকার হয়েছিল শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পরিবার।

ছাত্রদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা তো সরকারের পতন চাননি। আপনারা চেয়েছিলেন কোটা সংস্কার। এই দেশের সাধারণ মানুষের ছোট ছোট ছেলে-মেয়েদের তো কোটার সাথে কোনো সম্পর্ক ছিল না। তাহলে তারা কেন শহিদ হলো? তাই আওয়ামী লীগের সময় যারা ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা হয়ে সুযোগ সুবিধা নিয়েছে, তাদের কাছ থেকে সেই অর্থগুলো ফিরিয়ে এনে জুলাই-আগস্ট গণ অভ্যুত্থানে আহত নিহত পরিবারদের সাহায্য করার জন্য দাবি জানাচ্ছি।

ছাত্র উপদেষ্টাদের ইঙ্গিত করে বলেন, আপনারা মন্ত্রিত্ব করেন আমাদের আপত্তি নাই। কিন্তু বডি ল্যাঙ্গুয়েজ ভালো করেন, আপনারা তো আমাদের ছেলের বয়সী। দল করেন ভালো কথা কিন্তু সরকার থেকে দল করা যাবে না।