ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টার বাণী
নতুন বছরে আরও জোরদার হোক সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন
ইংরেজি নববর্ষ–২০২৬ উপলক্ষে দেশে ও বিদেশে বসবাসরত সব বাংলাদেশিসহ বিশ্ববাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।
আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ শুভেচ্ছা জানান।
আরও পড়ুন: নতুন করে দুই মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর পুনর বণ্টন
বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “নতুন বছরে আরও জোরদার হোক সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন। নতুন বছর সবার জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি। সবাইকে শুভ নববর্ষ।”
তিনি বলেন, নববর্ষ মানেই নতুন স্বপ্ন, নতুন আশা ও নতুন সম্ভাবনার সূচনা। নতুনের আগমনী বার্তা মানুষকে উদ্বেলিত করে এবং সব গ্লানি ভুলে সুন্দর আগামীর পথে এগিয়ে যেতে নবোদ্যম ও অনুপ্রেরণা জোগায়।
আরও পড়ুন: এক মাসে মধ্যপ্রাচ্যে সহস্রাধিক ফ্লাইট: শীর্ষে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত
একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, “আমরা সবাই দেশকে ভালোবেসে মানুষের কল্যাণে সর্বশক্তি নিয়োগ করবো—এটাই নতুন বছরে আমাদের প্রত্যাশা।”
তিনি আরও বলেন, “নতুন বছরে সব চ্যালেঞ্জ একসঙ্গে মোকাবিলা করে একটি সাম্য, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতার কথা উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, নতুন বছর জাতীয় জীবনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ত্রুটিপূর্ণ রাষ্ট্রব্যবস্থা সংস্কার করে গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথে যে যাত্রা শুরু হয়েছে, নতুন বছরে একটি জাতীয় নির্বাচন ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের ওপর গণভোট আয়োজনের মাধ্যমে তা পূর্ণতা পাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বাণীর শেষাংশে তিনি বলেন, সব ধরনের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে এই নির্বাচন ও গণভোট দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করবে—নতুন বছরে এটিই জাতির সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা।





