গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী মামলার তালিকা চাইল সরকার, যাচাই হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর, অর্থাৎ গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে দায়ের হওয়া মামলাগুলোর জেলাভিত্তিক তথ্য চেয়েছে সরকার। এসব মামলা যাচাই-বাছাই করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।বুধবার (৬ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বেশ কিছু মামলা হয়েছে, যার মধ্যে গণহত্যা ও আওয়ামী ফ্যাসিবাদের বিভিন্ন মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগও রয়েছে। এসব মামলার জেলাভিত্তিক তালিকা ডিসিদের কাছে চাওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: দিল্লি বিমানবন্দরে জাহেদ উর রহমানের ঘটনা: ভারতের ব্যাখ্যা ‘সন্তোষজনক নয়’, বলছে ঢাকা
তিনি জানান, “রিমোট জেলাগুলোতে মামলার সংখ্যা তুলনামূলক কম হলেও মহানগর এলাকায় তা বেশি। আমরা এসব মামলা যাচাই করে দেখব।”
মামলাগুলো যাচাইয়ের কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, অনেক মামলায় হাজার হাজার ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত আসামিদের শনাক্ত করা হবে, যাতে দ্রুত সময়ের মধ্যে মামলাগুলোর নিষ্পত্তি করা যায়।
আরও পড়ুন: জুলাইয়ের মধ্যে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে সুখবর আসবে: শ্রমমন্ত্রী
এছাড়া যেসব ব্যক্তিকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, তাদের অব্যাহতি দেওয়ার জন্যও সুপারিশ করা হবে বলে জানান তিনি। পুরো প্রক্রিয়াটি আইনগতভাবে সম্পন্ন করা হবে বলেও নিশ্চিত করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
ডিসিদের তথ্য পাঠানোর সময়সীমা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “যথাশিগগির” তথ্য দিতে বলা হয়েছে। তবে মৌখিকভাবে সর্বোচ্চ এক মাসের মধ্যে তথ্য পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দেরি হলেও ন্যায়বিচারের স্বার্থে বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, জুলাই অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। পরবর্তীতে গত ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করে।





