ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন
নভেম্বরে ভারত সফর করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী নভেম্বরে ভারত সফর করতে পারেন বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘টাইমস নাউ’। সফরটি চূড়ান্ত করতে ঢাকা ও নয়াদিল্লির কর্মকর্তাদের মধ্যে আলোচনা আবারও শুরু হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্ভাব্য সফরের সময়সূচি ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে দুই দেশের কর্মকর্তারা ধারাবাহিকভাবে আলোচনা করছেন। তবে সফরের তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
আরও পড়ুন: সৌদি আরবের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করল সিরিয়া
সফরটি অনুষ্ঠিত হলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হতে পারে। বৈঠকে সীমান্তসংক্রান্ত বিষয়, অবৈধ অভিবাসন, বাণিজ্য এবং গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি নবায়নসহ বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় ইস্যু আলোচনায় আসতে পারে বলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে।
সম্ভাব্য সফরকে সামনে রেখে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বাংলাদেশের বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা ও মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করছেন। দুই দেশের কর্মকর্তারা সফরের সম্ভাব্য এজেন্ডা নিয়েও আলোচনা করছেন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
আরও পড়ুন: মার্কিন নির্বাচনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তিন জনপ্রতিনিধির জয়
এর আগে চলতি মাসে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত দুটি পৃথক আমন্ত্রণ জানিয়েছে। একটি ছিল দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্য এবং অন্যটি বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য। তবে তিনি ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নেননি।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এর আগে জানিয়েছিলেন, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ‘রিসেট’ করে পারস্পরিক স্বার্থ ও ভারসাম্যের ভিত্তিতে এগিয়ে নিতে চায় ঢাকা। সম্ভাব্য দ্বিপক্ষীয় সফরকে এই সম্পর্ক পুনর্গঠনের আলোচনার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
দুই দেশের সম্পর্কে সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন বিষয়ে টানাপোড়েন দেখা দিয়েছে। এর মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান এবং তাকে ফেরত চাওয়ার বিষয়টিও রয়েছে। ঢাকা তার প্রত্যর্পণ চেয়ে আসছে। অন্যদিকে ভারত জানিয়েছে, বাংলাদেশের অনুরোধটি বিদ্যমান আইন ও আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরের তারিখ ও পূর্ণাঙ্গ এজেন্ডা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত হয়নি।





