শেখ হাসিনার রেখে যাওয়া গুণ্ডা-পাণ্ডারা গার্মেন্টসে আগুন দিচ্ছে: রিজভী

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৯:৫৯ অপরাহ্ন, ০৫ নভেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ১০:৩৬ অপরাহ্ন, ০৫ নভেম্বর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

পোশাকশিল্পে চলমান অস্থিরতার পেছনে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার অনুসারীদের দায়ী করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবীর রিজভী। তিনি অভিযোগ করেছেন, পার্শ্ববর্তী দেশে অবস্থানরত শেখ হাসিনা সেখান থেকে উসকানি দিয়ে তাঁর রেখে যাওয়া সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে গার্মেন্টসে আগুন দেওয়ানো ও মানুষ হত্যার ঘটনা ঘটাচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ মাঠে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বর্ণাঢ্য র‍্যালির আগে এক গণজমায়েতে বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব অভিযোগ করেন তিনি।

আরও পড়ুন: এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন সামান্তা শারমিন

পোশাকশিল্পে চলমান অস্থিরতার জন্য আওয়ামী লীগকে দায়ী করে রিজভী বলেন, শ্রমিকদের ন্যায্য দাবির বিষয়ে সরকার কথা বলেছে এবং ওয়েজ বোর্ডের ব্যাপারে আশ্বাস দিয়েছে। মূল শ্রমিকেরা এখন আর আন্দোলনে নেই। যারা পুলিশের গাড়িতে আগুন দিচ্ছেন এবং আন্দোলনকারীদের পিটিয়ে হত্যা করছেন, তারা শেখ হাসিনার রেখে যাওয়া গুণ্ডা-সন্ত্রাসী।

তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি গ্রেপ্তার হওয়া ১১ জনের মধ্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের একজন নেতাও রয়েছেন। তিনি ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে আন্দোলনে অংশ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হয়, এই মদদ ও উসকানি পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে আসছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

আরও পড়ুন: নাহিদ ইসলামকে আইনি নোটিশ

বিগত সরকারের দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরে বিএনপির এই নেতা বলেন, বেসিক ব্যাংক, সোনালী ব্যাংকসহ বিভিন্ন ব্যাংকের টাকা লুট ও পাচার করা হয়েছে। চট্টগ্রামের এক সাবেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যের ২০০ মিলিয়ন পাউন্ডের বাড়ি ইংল্যান্ড সরকার বাজেয়াপ্ত করেছে।

রিজভী অভিযোগ করেন, লুটপাটের সেই রাজত্ব ফিরে পেতেই শেখ হাসিনা আবারও সন্ত্রাস ও উসকানির চেষ্টা করছেন। তবে দেশের মানুষ এখন ঐক্যবদ্ধ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

গণজমায়েতে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সহসাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হাসেম বক্কর, চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান, আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপকমিটির সদস্য ইসরাফিল খসরুসহ জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।