হাদি হত্যা প্রসঙ্গে অভিযুক্ত ফয়সাল: ‘আমি এই কাজ করিনি’
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান দুই অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর হোসেনকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের একটি স্থানীয় আদালতে তোলা হয়েছে।
রোববার (২২ মার্চ) ১৪ দিনের পুলিশ রিমান্ড শেষে তাদের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বিধাননগর মহকুমা আদালতে হাজির করা হয়।
আরও পড়ুন: ষড়যন্ত্রকারীদের ২০২৪ সালের মতোই জনগণ উচিত জবাব দেবে: প্রধানমন্ত্রী
আদালতে তোলার সময় সাংবাদিকরা ফয়সালের কাছে হাদি হত্যা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। ফয়সাল বলেন, “আমি এই কাজ করিনি। আমি এ ধরনের কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলাম না।” তবে তাকে এই ঘটনায় ফাঁসানো হয়েছে কি না—এ প্রশ্নের জবাব দিতে তিনি রাজি হননি।
এর আগে গত ৮ মার্চ বাংলাদেশ সীমান্তসংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁ এলাকা থেকে ফয়সাল ও আলমগীরকে গ্রেপ্তার করে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বিশেষ টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তারা অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে ওই এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন এবং সুযোগ বুঝে পুনরায় বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করছিলেন।
আরও পড়ুন: স্বৈরাচারী শক্তি আবারও ষড়যন্ত্রের ফণা তুলেছে: প্রধানমন্ত্রী
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণার পরদিন ১২ ডিসেম্বর ঢাকার পুরানা পল্টনের বক্স-কালভার্ট রোডে একটি চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে রিকশায় থাকা শরীফ ওসমান হাদিকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
অবস্থার অবনতি হলে ১৫ ডিসেম্বর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় ১৪ ডিসেম্বর পল্টন থানায় ফয়সাল করিম মাসুদকে আসামি করে হত্যাচেষ্টার মামলা দায়ের করেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের। পরে হাদির মৃত্যু হলে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপ নেয়।





