রোহিঙ্গা সংকট এখন বৃহত্তর নিরাপত্তা উদ্বেগের বিষয়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৮:০০ অপরাহ্ন, ০৬ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ৯:০৭ অপরাহ্ন, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

দীর্ঘায়িত রোহিঙ্গা সংকট এখন আর শুধু মানবিক বিষয় নয়; এর সঙ্গে বৃহত্তর নিরাপত্তা উদ্বেগ ও অনিয়মিত অভিবাসনের বিষয়ও জড়িত বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

একই সঙ্গে রোহিঙ্গাদের দ্রুত ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে আরও জোরালো আন্তর্জাতিক উদ্যোগের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন: এক কর্মকর্তার হাতে পাঁচ পদ, নিয়োগ ও দায়িত্ব নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বাংলাদেশবিষয়ক যুক্তরাজ্যের অল-পার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপের (এপিপিজি) চেয়ার ও এমপি আফসানা বেগমের নেতৃত্বে সফররত একটি প্রতিনিধিদল পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে মন্ত্রণালয়ে গেলে তিনি এসব কথা বলেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান এবং বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সম্পর্ক আরও জোরদারে এপিপিজির অব্যাহত আগ্রহের প্রশংসা করেন। প্রতিনিধিদলে হাউস অব লর্ডসের সদস্য শওকত আদম এমপি ও লর্ড কুরবান হুসেইনও ছিলেন।

আরও পড়ুন: তদবির ঠেকাতে লটারিতে ঢাকার ৭ ভূমি অফিসে ৯ জনের বদলি

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংহতি ও সংস্কার উদ্যোগে যুক্তরাজ্য সরকারের সমর্থনের বিষয়টি তুলে ধরেন হুমায়ুন কবির। একই সঙ্গে যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট, বাংলাদেশ এবং ব্রিটিশ-বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের মধ্যে সেতুবন্ধ হিসেবে এপিপিজির ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন তিনি।

বাংলাদেশের অগ্রগতি ও বাস্তব পরিস্থিতি তুলে ধরতে যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের সঙ্গে আরও বেশি সম্পৃক্ততা তৈরিতে এপিপিজির সহযোগিতা চান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

প্রতিনিধিদলটি বুধবার রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করবে। এ সময় এপিপিজির প্রতিনিধিরা রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের দুর্দশা মোকাবিলায় তাদের সমর্থনের কথা জানান।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখা এবং রোহিঙ্গাদের নিজভূমিতে টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় সোচ্চার থাকার আশ্বাস দিয়েছে প্রতিনিধিদলটি।

আলোচনায় বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে সংসদীয় সহযোগিতা ও বিনিময় জোরদারের বিষয়টি গুরুত্ব পায়। পাশাপাশি গণতান্ত্রিক সংহতি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, অভিবাসন, দক্ষ জনশক্তি কাজে লাগানো এবং মানবাধিকারের মতো পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়।

এ ছাড়া উভয়পক্ষ আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করে। সংশ্লিষ্ট দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় চ্যানেলের মাধ্যমে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আগ্রহও প্রকাশ করে দুই পক্ষ।