চার দিন বন্ধ থাকবে এলএনজি টার্মিনাল, সারা দেশে কমবে গ্যাসের সরবরাহ

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৮:৩২ অপরাহ্ন, ০১ নভেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ৯:৩০ অপরাহ্ন, ০১ নভেম্বর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত সামিটের ভাসমান তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনালে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণকাজের কারণে আগামী ৪ নভেম্বর থেকে টানা চার দিন গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে। এতে সারা দেশে গ্যাসের স্বল্পচাপ দেখা দিতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা)।

রোববার (১ নভেম্বর) পেট্রোবাংলার পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

আরও পড়ুন: পোশাক কারখানা চালু রেখে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ৪ নভেম্বর সকাল ৮টা থেকে ৭ নভেম্বর বিকেল ৪টা পর্যন্ত সামিটের ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। এ সময়ে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের সম্মিলিত দৈনিক গ্যাস সরবরাহের সক্ষমতা ১০৫ কোটি ঘনফুট। এর বিপরীতে নিয়মিত প্রায় ৯২ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়। তবে সামিটের টার্মিনাল বন্ধ থাকায় জাতীয় গ্রিডে এলএনজি সরবরাহ কমে দৈনিক ৬০ কোটি ঘনফুটে নেমে আসবে।

আরও পড়ুন: পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি বোর্ডের গেজেট প্রকাশ

এ পরিস্থিতিতে দেশের বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের স্বল্পচাপ দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্পকারখানা ও আবাসিক গ্রাহকদের গ্যাস ব্যবহারে ভোগান্তি বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। সাময়িক এ অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে পেট্রোবাংলা।

উল্লেখ্য, দেশে বর্তমানে দৈনিক গ্যাসের মোট চাহিদা প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট। এর বিপরীতে দেশীয় গ্যাসক্ষেত্রগুলো থেকে দৈনিক প্রায় ১৬০ কোটি ঘনফুট গ্যাস উৎপাদিত হয়। বাকি চাহিদা পূরণে আমদানিকৃত এলএনজির ওপর নির্ভর করতে হয়।

মহেশখালীর সামিট এলএনজি টার্মিনালে নির্ধারিত রক্ষণাবেক্ষণকাজের কারণে আগামী কয়েক দিন গ্যাস সরবরাহে ঘাটতি তৈরি হতে পারে। এর আগে গত বছরের ডিসেম্বরেও টার্মিনালটিতে একই ধরনের রক্ষণাবেক্ষণকাজ করা হয়েছিল।