তারেক রহমানের দেশে ফেরায় বাধা নেই: ফখরুল

Sadek Ali
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৮:২৯ অপরাহ্ন, ২৯ নভেম্বর ২০২৫ | আপডেট: ৮:২৯ অপরাহ্ন, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অবনতিশীল শারীরিক অবস্থা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে গভীর উদ্বেগ তৈরি করেছে। চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি থাকা অবস্থায় তার শারীরিক পরিস্থিতি প্রায়ই সংকটাপন্ন হয়ে পড়ছে। এ সময়ে দলের নেতাকর্মীরা আশা করছেন, যেকোনো মুহূর্তে তারেক রহমান দেশে ফিরতে পারেন।

কিন্তু শনিবার সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া আবেগঘন বার্তায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান স্পষ্টভাবে জানান, দেশে ফিরতে চাইলেও এ সিদ্ধান্ত এখন তার একক নিয়ন্ত্রণে নেই। সংবেদনশীল এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়ারও সুযোগ সীমিত বলে উল্লেখ করেন তিনি।

আরও পড়ুন: ১৬ দিনের ‘বিজয় মশাল রোড শো’ ঘোষণা বিএনপির

বিকেলে গুলশান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকরা তারেক রহমানের পোস্ট নিয়ে প্রশ্ন করলে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, তারেক রহমান নিজেই বিষয়টির ব্যাখ্যা দেবেন। তিনি বলেন, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান উপস্থিত না থাকায় তার লেখার ব্যাখ্যা দেওয়ার দায়িত্বও আমার নয়। তার পোস্টেই তার উত্তর রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সামাজিক মাধ্যমে নানা ধরনের বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়। আমাদের জানা মতে, তারেক রহমানের দেশে ফেরায় কোনো বাধা নেই।

আরও পড়ুন: খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নিতে চিকিৎসকদের 'গ্রিন সিগনাল' এর অপেক্ষা

সংবাদ সম্মেলনে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার আপডেট জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, চেয়ারপারসন কয়েকদিন ধরে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তার শারীরিক অবস্থা কিছুটা সংকটাপন্ন। দেশের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পাশাপাশি জন হপকিন্স ও লন্ডন ক্লিনিকের চিকিৎসকেরাও তাকে সুস্থ করতে কাজ করছেন।

মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্ত তুলে ধরে তিনি জানান, প্রয়োজনে খালেদা জিয়াকে বিদেশেও নেওয়া হতে পারে, তবে এখনই সে অবস্থায় তিনি নেই। ফ্লাই করার মতো শারীরিক অবস্থা এখনো হয়নি। তবে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি—ভিসা থেকে শুরু করে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স—সবই তৈরি রাখা আছে। তিনি প্রস্তুত হলেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এ সময় বিএনপি মহাসচিব হাসপাতালের সামনে অতিরিক্ত ভিড় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, চিকিৎসার পরিবেশ যাতে ব্যাহত না হয়, সেজন্য নেতাকর্মীদের অনুরোধ করছি হাসপাতালে ভিড় না করতে। এতে শুধু চেয়ারপারসনই নয়, অন্য রোগীদের চিকিৎসাও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।