শেরপুরের ঘটনায় নির্বাচনী ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ প্রশ্নবিদ্ধ জামায়াত আমির
শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে জামায়াত ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ এবং জামায়াত নেতার নিহত হওয়ার ঘটনায় আসন্ন নির্বাচনের ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বর পানির ট্যাংকি এলাকায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তার নিজ নির্বাচনী এলাকা ঢাকা-১৫–এর প্রধান নির্বাচনী কার্যালয় এবং জামায়াতের ডিজিটাল প্রচারণার জন্য ব্যবহৃত ‘মাল্টিমিডিয়া বাস’-এর উদ্বোধন উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
আরও পড়ুন: মারা গেছেন সাবেক এমপি সেলিমা আহমাদ
শফিকুর রহমান বলেন, “এই ঘটনা অসহিষ্ণুতার ইঙ্গিত দেয়। এটি প্রমাণ করে জনগণের ওপর আস্থার ঘাটতি রয়েছে। অন্যের বিজয় সহ্য না করার মানসিকতার বহিঃপ্রকাশই এমন সহিংসতা।”
তিনি বলেন, “আমরা আমাদের উদ্বেগ জানিয়েছি এবং এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছি। ভবিষ্যতেও প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে। আমাদের অধিকার এবং জনগণের অধিকার নিয়ে আর কাউকে টানাটানি করার সুযোগ দেওয়া হবে না।”
আরও পড়ুন: ক্রীড়াঙ্গনের কিংবদন্তি আবদুস সাদেকের মৃত্যুতে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রীর শোক
উল্লেখ্য, বুধবার শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে একটি নির্বাচনি ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে বসার স্থান নিয়ে বাগবিতণ্ডার জেরে স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে জামায়াতের স্থানীয় নেতা রেজাউল করিম নিহত হন।
ঘটনার পর বুধবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন জামায়াত আমির। তিনি লেখেন, “আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা এখন জনগণ দেখতে চায়। তারা কেমন নির্বাচন জাতিকে উপহার দেয়, সেটাই মূল বিষয়। যারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত, তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “কোনো ধরনের গড়িমসি জাতি বরদাশত করবে না। দ্রুত সময়ের মধ্যে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।”





