বর্ণিল আলোকসজ্জায় ঝলমল জাতীয় স্মৃতিসৌধ

Sanchoy Biswas
আশুলিয়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৮:৫২ অপরাহ্ন, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫ | আপডেট: ২:৫২ পূর্বাহ্ন, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

রাত পোহালেই মহান বিজয় দিবস। জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে প্রথম প্রহরেই সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে আসবেন রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টাসহ দেশ-বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ। এরপর পর্যায়ক্রমে শ্রদ্ধা জানাতে ঢল নামবে দেশের সর্বস্তরের মানুষের।

বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে জাতীয় স্মৃতিসৌধ চত্বরকে বর্ণিল সাজে সাজিয়েছে গণপূর্ত বিভাগ। পুরো এলাকায় নান্দনিক আলোকসজ্জার সাজ। একই সঙ্গে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে গ্রহণ করা হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

আরও পড়ুন: কুলাউড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের সভায় বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সচেতনতার তাগিদ

সূর্যাস্তের পর বৈদ্যুতিক বাতির আলোয় এক ভিন্ন রূপে ধরা দিয়েছে জাতীয় স্মৃতিসৌধ। মূল ফটক থেকে স্মৃতিসৌধের বেদি পর্যন্ত বিভিন্ন স্থাপনা সাজানো হয়েছে লাল, নীল, সবুজ ও হলুদ রঙের আলোকবাতিতে। 

দেয়াল, গাছপালা ও আশপাশের স্থাপনাগুলোতেও রঙিন আলোয় তৈরি হয়েছে মনোমুগ্ধকর পরিবেশ।

আরও পড়ুন: আটগ্রাম নালুহাটিতে ৫০ মিটার বেড়িবাঁধ ধস, শুকনো মৌসুমেই সংস্কারের দাবি স্থানীয়দের

আলোকসজ্জা দেখতে সন্ধ্যার পর থেকেই স্মৃতিসৌধের সামনে ভিড় করছেন নানা বয়সী মানুষ। অনেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে এসে স্মরণীয় মুহূর্তগুলো ক্যামেরাবন্দী করছেন।

রিফাত মেহেদী স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে স্মৃতিসৌধের সামনে এসেছেন রাতের সৌন্দর্য উপভোগ করতে। তিনি বলেন,প্রতি বছর বিজয় দিবসের আগের রাতে পরিবার নিয়ে এখানে আসি। শহিদদের স্মরণ করার পাশাপাশি আলোকসজ্জা দেখতে খুব ভালো লাগে।

কামরুজ্জামান নামের এক দর্শনার্থী বলেন,এত সুন্দরভাবে আলোকসজ্জিত জাতীয় স্মৃতিসৌধ আগে কখনো দেখিনি। ভেতরে ঢোকা না গেলেও গেটের সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তুলেছি। ফেসবুকে পোস্টও করেছি।

মেরিনা নামের এক নারী বলেন,মনটা খুব খারাপ ছিল। এখানে এসে মন ভালো হয়ে গেছে। মুক্তিযুদ্ধ দেখিনি, তবে জাতীয় স্মৃতিসৌধে দাঁড়িয়ে সেই ইতিহাসকে গভীরভাবে অনুভব করছি।

বিজয়ের এই মাহেন্দ্রক্ষণে আলোকসজ্জায় সেজে ওঠা জাতীয় স্মৃতিসৌধ যেন নতুন করে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে স্বাধীনতার গৌরবময় ইতিহাস ও বীর শহিদদের আত্মত্যাগ।