মুক্তিযোদ্ধা ও রাজাকারের তালিকার বিতর্ক নিরসনে কাজ করবে সরকার: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী
স্বাধীনতার ৫৫ বছর পেরিয়ে গেলেও দেশে মুক্তিযোদ্ধা ও রাজাকারের তালিকা নিয়ে এখনও বিতর্ক রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান। তিনি বলেন, এ ধরনের বিতর্কের স্থায়ী সমাধানে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা নিয়ে কাজ করতে চায় সরকার।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেলে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও আত্মত্যাগকারীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: রংপুরে চার খুনের আলামত ধুয়েমুছে ফেলা হয়নি: পুলিশ কমিশনার
মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ সময় পার হলেও মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা এবং রাজাকারদের তালিকা নিয়ে নানা বিতর্ক রয়ে গেছে। এসব বিষয় সঠিকভাবে নির্ধারণ ও বিতর্কের অবসান ঘটাতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করবে।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বক্তব্যে তিনি মুক্তিযুদ্ধের ঘোষক হিসেবে পরিচিত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং তাঁর আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। একই সঙ্গে তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক অবদানের কথাও স্মরণ করেন তিনি।
আরও পড়ুন: অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মব সন্ত্রাস করেছে এনসিপির লোকজন
মন্ত্রী বলেন, দেশের গণমানুষের নেতা হিসেবে খালেদা জিয়া তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছেন। তাঁর আত্মার মাগফেরাত কামনাও করেন তিনি।
আহমেদ আজম খান বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর ওপর আস্থা রেখে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়েছেন। সেই আস্থার প্রতিদান দিতে সততা, ত্যাগ ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করবেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের গৌরব ও অহংকারের বিষয়। এ দেশের ইতিহাস, চেতনা ও আত্মপরিচয়ের সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধ অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। তাই এই মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমকে গুরুত্ব দিয়ে দেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো যথাযথভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করা হবে।
তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধা ও রাজাকারের তালিকা নিয়ে যে বিতর্ক রয়েছে তা নিরসনে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা নিয়ে সরকার নিরলসভাবে কাজ করবে।





