কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে ৭ শিক্ষার্থীর মৃত্যু

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৪:৪০ অপরাহ্ন, ০৮ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ১২:৫৪ অপরাহ্ন, ০৯ জুলাই ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে একটি মাদরাসা চাপা পড়ে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়দের দাবি, এ ঘটনায় সাত শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধারের তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। উদ্ধার অভিযান এখনও চলমান থাকায় হতাহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বুধবার (৮ জুলাই) দুপুর আনুমানিক ১টা ১৫ মিনিটে উখিয়ার কুতুপালং ৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এ-০৩ (ব্লক অ-০৩) এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে বাসযাত্রীর মোবাইল ছিনতাই চক্রের মূল হোতা আটক, উদ্ধার ১১টি স্মার্টফোন

স্থানীয় সূত্র জানায়, টানা বৃষ্টির কারণে পাহাড়ের একটি বড় অংশ ধসে পাশের একটি মাদরাসার ওপর পড়ে। ওই সময় মাদরাসায় বহু শিক্ষার্থী পাঠ গ্রহণ করছিল। আকস্মিক পাহাড়ধসে ভবনটি মাটিচাপা পড়ে গেলে শিক্ষার্থীরা ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে।

ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্ধারকাজ শুরু করেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে।

আরও পড়ুন: সুবিধাবঞ্চিত যাত্রীদের কণ্ঠস্বর কবীর আহমেদ ভূঁইয়া, রেলপথ মন্ত্রণালয়ে জোরালো আবেদন

বিকেল পৌনে ৩টার দিকে ক্যাম্পের বাসিন্দা ও রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবক রফিক জানান, এ পর্যন্ত সাত শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁর দাবি, আরও অনেক শিক্ষার্থী ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে থাকতে পারে।

অন্যদিকে, উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পান্না আক্তার জানিয়েছেন, প্রশাসনের কাছে তাৎক্ষণিকভাবে দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধারের তথ্য রয়েছে। তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিসের দুটি দল উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে এবং তিনি ঘটনাস্থলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান অব্যাহত ছিল। ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও শিক্ষার্থী আটকা পড়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা উদ্ধার অভিযান শেষে নিশ্চিত হওয়া যাবে।