৫ নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে, সতর্ক থাকার আহ্বান

Sadek Ali
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ১:৫২ অপরাহ্ন, ১০ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ৮:৩৯ অপরাহ্ন, ১০ জুলাই ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

সক্রিয় মৌসুমি বায়ু ও উজানের বৃষ্টিপাতের প্রভাবে দেশের উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাঁচটি নদীর নয়টি স্টেশনে এখনও পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল ৯টার তথ্যের ভিত্তিতে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র এ তথ্য জানিয়েছে।

আরও পড়ুন: রংপুরে গণপতি পরিবারে ৪ খুনের রহস্যে নতুন মোড়

কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সাঙ্গু, মাতামুহুরী, কুশিয়ারা, মনু ও খোয়াই—এই পাঁচটি নদীর মোট নয়টি স্টেশনে পানি বিপৎসীমার ওপর রয়েছে। এর মধ্যে সাঙ্গু নদীর বান্দরবান ও দোহাজারী পয়েন্টে পানি যথাক্রমে ৯৫ ও ২৩ সেন্টিমিটার, মাতামুহুরী নদীর লামা ও চিরিঙ্গা পয়েন্টে ৪৭ ও ৩২ সেন্টিমিটার, কুশিয়ারা নদীর মারকুলি ও ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে ১৮ ও ১০ সেন্টিমিটার, মনু নদীর মনু রেলওয়ে ব্রিজ ও মৌলভীবাজার পয়েন্টে ৩৫ ও ৮০ সেন্টিমিটার এবং খোয়াই নদীর বল্লা পয়েন্টে ৬০ সেন্টিমিটার বিপৎসীমার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে।

এ ছাড়া আরও পাঁচটি নদীর নয়টি স্টেশন সতর্ক সীমায় রয়েছে। এগুলো হলো—তিস্তা নদীর ডালিয়া (নীলফামারী), কাউনিয়া (লালমনিরহাট) ও তারাপুর (গাইবান্ধা), কুশিয়ারা নদীর শেরপুর (মৌলভীবাজার), সুরমা নদীর কানাইঘাট (সিলেট), ছাতক ও সুনামগঞ্জ, সোমেশ্বরী নদীর কলমাকান্দা (নেত্রকোণা) এবং ছোট ফেনী নদীর কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) পয়েন্ট।

আরও পড়ুন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে ২৪ হাজার কেজি অবৈধ সারসহ ট্রাক আটক

গত ২৪ ঘণ্টায় উজানে সর্বোচ্চ ১০৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ভারতের মেঘালয়ের চেরাপুঞ্জিতে। একই সময়ে বাংলাদেশে সর্বোচ্চ ২০৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে চট্টগ্রামে।

পর্যবেক্ষণাধীন ১২৭টি পানি সমতল পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের মধ্যে ৭৯টিতে পানি বেড়েছে, ৪৩টিতে কমেছে এবং পাঁচটিতে অপরিবর্তিত রয়েছে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে।