জাসদ কার্যালয়ে জড়ো হওয়া ২৮০-৩০০ জনকে থানায় নিয়ে যাচাই-বাছাই: ডিসি হারুন

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ১০:৫০ অপরাহ্ন, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ১১:৪০ অপরাহ্ন, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

রাজধানীর গুলিস্তানে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জড়ো হওয়া আনুমানিক ২৮০ থেকে ৩০০ জনকে থানায় নিয়ে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. হারুন অর রশিদ। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান। 

ডিসি হারুন বলেন, আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের সদস্যরা কোনো উদ্দেশ্যে বা অসৎ উদ্দেশ্যে সেখানে জড়ো হয়েছিলেন বলে পুলিশ খবর পায়। এর ভিত্তিতে প্রাথমিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এ সময় স্থানীয় ছাত্র-জনতাও পুলিশকে সহযোগিতা করেছে।

আরও পড়ুন: ককটেল বিস্ফোরণ নিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত: ডিএমপি

তিনি জানান, সেখানে জড়ো হওয়া ব্যক্তিদের পরিচয়, একত্রিত হওয়ার উদ্দেশ্য এবং তাঁদের কর্মকাণ্ড খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনাস্থলে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার বিষয়েও পুলিশের কাছে কিছু তথ্য রয়েছে। তাঁরা অন্য কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন কি না, সেটিও যাচাই করা হবে।

আটক ব্যক্তিদের সংখ্যা সম্পর্কে ডিসি হারুন বলেন, প্রাথমিক হিসাবে সেখানে ২৮০ থেকে ৩০০ জন জড়ো হয়েছিলেন। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যাচাই-বাছাইয়ের কাজে ব্যস্ত থাকায় সঠিক সংখ্যা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

আরও পড়ুন: ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ওসি রাকিবুল ৫ দিনের রিমান্ডে

তিনি আরও বলেন, আটক ব্যক্তিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পুরো ঘটনা যাচাইয়ের স্বার্থে তাঁদের থানায় নেওয়া হচ্ছে। যাচাই-বাছাই শেষে যাঁদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া যাবে, তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা বা প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্যদের ক্ষেত্রে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সেখানে সাংবাদিক কিংবা অন্য কোনো পেশার মানুষ আটক হয়েছেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আটক ব্যক্তিদের পরিচয় যাচাই করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

জাসদ কার্যালয়ে জড়ো হওয়ার জন্য কোনো অনুমতি নেওয়া হয়েছিল কি না, সেটিও যাচাই করা হচ্ছে বলে জানান ডিসি হারুন। তিনি বলেন, ঘটনাস্থল পল্টন থানার আওতাধীন। তবে তদন্তের সুবিধার্থে প্রয়োজন হলে আটক ব্যক্তিদের আশপাশের অন্য কোনো থানায়ও রাখা হতে পারে।