জাবি ছাত্রদলের সভাপতি পদপ্রার্থী মাহবুবুর রহমান মুরাদ
‘ক্ষমতার দাপট নয়, সহমর্মিতার রাজনীতি চাই’
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) ছাত্রদলের আসন্ন কমিটিতে সভাপতি পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন সংগঠনটির নেতা মাহবুবুর রহমান মুরাদ। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়তা এবং শিক্ষার্থীবান্ধব রাজনীতির প্রত্যয়কে সামনে রেখে নেতৃত্বে আসতে চান তিনি। সভাপতি নির্বাচিত হলে ক্যাম্পাসে ‘সহমর্মিতার রাজনীতি’র দৃষ্টান্ত স্থাপন, দলীয় পদায়নে স্বচ্ছতা ও যোগ্যতার মূল্যায়ন এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবির পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মুরাদ। একই সঙ্গে দখল, চাঁদাবাজি, পেশিশক্তি ও ভয়ভীতির রাজনীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথাও জানিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি দৈনিক বাংলাবাজার পত্রিকার জাবি প্রতিনিধি মো. নিশান খানের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে জাবি ছাত্রদলের সাংগঠনিক সংকট, হল কমিটি নিয়ে বিতর্ক, শোকজ, ত্যাগী ও নবীন নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন, ক্ষমতাসীন দলের ছাত্রসংগঠন হিসেবে ছাত্রদলের ভূমিকা, সাধারণ শিক্ষার্থীদের সমস্যা, জাকসুর সঙ্গে সম্পর্ক এবং নিজের নেতৃত্বের পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেন মাহবুবুর রহমান মুরাদ।
সভাপতি পদে নিজেকে কেন উপযুক্ত মনে করছেন, এমন প্রশ্নের জবাবে মুরাদ বলেন, দীর্ঘ সংগ্রামের পর জনগণের ভোটে বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় এসেছে। এখন দল দেশ পরিচালনায় যেমন নতুন প্রত্যাশা তৈরি করেছে, তেমনি ছাত্রদলেও শিক্ষা ও শিক্ষার্থীবান্ধব নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার সুযোগ তৈরি হয়েছে। নিজের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শুরু থেকেই তিনি ছাত্রলীগের ‘বর্বরতার রাজনীতির’ শিকার হয়েছেন। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই ক্যাম্পাসে সহমর্মিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার রাজনীতির প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেছেন। মুরাদের ভাষায়, ‘ক্ষমতার দাপট আর মহড়ার রাজনীতি দেখতে দেখতে আমি কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রাজনীতির স্বপ্ন বুনেছি। দল যদি আমাকে নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্য মনে করে, তবে নিজের সবটা উজাড় করে বিশ্ববিদ্যালয়কে ইতিহাসের সুন্দরতম রাজনীতি উপহার দিয়ে যাব ইনশাল্লাহ।’ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা ও গবেষণার অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে শিক্ষার্থীদের পাশে থেকে কাজ করাই তাঁর মূল লক্ষ্য বলেও জানান তিনি।
আরও পড়ুন: সময়ানুবর্তিতা ও দায়িত্বশীলতায় মানসিক চাপ কমে: ঢাবি উপাচার্য
জাবি ছাত্রদলের বর্তমান সাংগঠনিক সংকটকে নেতিবাচকভাবে দেখতে চান না মুরাদ। তাঁর মতে, সংগঠন বড় হলে নেতৃত্বের আকাঙ্ক্ষা ও প্রতিযোগিতা থাকাটাই স্বাভাবিক। তবে সেই প্রতিযোগিতা যেন বিভাজন তৈরি না করে, সেদিকে গুরুত্ব দিতে চান তিনি। মুরাদ বলেন, ‘নেতৃত্বের জন্য মনোনীত হলে আমি সকল শহীদ জিয়ার সৈনিকের জন্য একটি সমান্তরাল প্ল্যাটফর্ম তৈরি করব। সেখানে কোনো তদবির বা স্বজনপ্রীতি থাকবে না। যেকোনো কর্মী তাঁর মেধা, গুণাবলি ও পরিশ্রম দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্বে যেতে পারবেন।’
২০২৫ সালে হল কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে জাবি ছাত্রদলের অভ্যন্তরে তৈরি হওয়া বিরোধকে সরাসরি দ্বন্দ্ব হিসেবে দেখতে নারাজ মুরাদ। তাঁর দাবি, কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা ছিল, যা রাজনৈতিক সংগঠনে স্বাভাবিক। তবে ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতাকর্মীদের পাশাপাশি যোগ্য অনেককে বঞ্চিত করে অসম পদ বণ্টনের কারণে অসামঞ্জস্যতা তৈরি হয়েছিল। সভাপতি হলে হল কমিটির সেই অসামঞ্জস্যতা দূর করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি নেতৃত্বের জন্য মনোনীত হলে হল কমিটিতে অসামঞ্জস্যতা দূর করব। পাশাপাশি হল কমিটিতে প্রতি ব্যাচের জন্যও নেতৃত্ব তৈরি করব।’
আরও পড়ুন: শতভাগ জিপিএ-৫ পাওয়ায় কাদির মোল্লা স্কুলকে শিক্ষা বোর্ডের শোকজ
হল কমিটি নিয়ে বিরোধের ঘটনায় কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের পক্ষ থেকে তাঁকে শোকজ করার বিষয়েও কথা বলেন মুরাদ। তাঁর দাবি, ত্যাগী ও যোগ্য নেতাকর্মীদের যথাযথ মূল্যায়নের দাবিতেই তাঁরা অবস্থান নিয়েছিলেন। একই সঙ্গে কিছু নিষিদ্ধ সংগঠনের কর্মী পরিচয় গোপন করে হল কমিটিতে পদ পেয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। মুরাদ বলেন, ‘আমরা ত্যাগী ও যোগ্য লোকদের কমিটিতে প্রাধান্য দেওয়ার পক্ষে ছিলাম। হল কমিটিতে কিছু নিষিদ্ধ সংগঠনের কর্মী পদায়নের ব্যাপারে আমাদের আপত্তি ছিল। তারা পরিচয় গোপন করে পদ নিয়েছিল। আমরা দলকে ভালোবেসে সংগঠনের ভালো দিক চিন্তা করেই অবস্থান নিয়েছিলাম।’ তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, তাঁদের প্রতিবাদ সংগঠনের কাছে যথাযথ প্রক্রিয়ায় হয়নি বলে বিবেচিত হওয়ায় শোকজ করা হয়েছিল। পরে যথাযথ ব্যাখ্যা দেওয়ার পর সংগঠন তাঁদের ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট হয়েছে। ভবিষ্যৎ নেতৃত্বে এ ধরনের পরিস্থিতি এড়ানোর বিষয়ে মুরাদ বলেন, ‘ভবিষ্যতে এমন কোনো নেতৃত্ব চাই না, যেখানে কোনো নৈতিক বিষয়ে বেশিরভাগ কর্মী ভাগ হয়ে যায় বা অসন্তুষ্ট হয়।’
ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়নের পাশাপাশি নতুনদেরও সংগঠনে সুযোগ দেওয়ার কথা জানান মুরাদ। তাঁর মতে, বড় সংগঠনে নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা থাকবেই। তবে যোগ্যতার ভিত্তিতে নেতৃত্ব বাছাই করা গেলে বিতর্ক অনেকটাই কমে আসে। তিনি বলেন, ‘আমি নেতৃত্বে আসলে সবার আগে ত্যাগী ও যোগ্যদের পরিশ্রম অনুযায়ী মূল্যায়ন করব, যেন আগের বিতর্ক নতুন করে তৈরি না হয়।’ এমন একটি সাংগঠনিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে চান বলেও জানান তিনি, যেখানে রাজনৈতিক প্রতিযোগীরাও মনে করবেন, তাঁরা যথাযথ মূল্যায়ন পেয়েছেন। নতুনদেরও সংগঠনে স্বাগত জানানোর কথা উল্লেখ করে মুরাদ বলেন, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্বে নিয়ে আসা হবে। প্রবীণ ও নবীনদের সমন্বয় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘একটা গাছের সবচেয়ে নতুন আর সুন্দর পাতাটি উপরের দিকে থাকে, আর সবচেয়ে পুরোনো পাতাটি থাকে শিকড়ের কাছাকাছি। আমার কাছে সংগঠনটাও এমনই। ত্যাগী ও পরীক্ষিতরা শিকড় হয়ে নতুনদের নেতৃত্ব শেখাতে কাজ করবে।’
দীর্ঘ সময় বিরোধী রাজনীতিতে থাকার পর ক্ষমতাসীন দলের ছাত্রসংগঠনে পরিণত হলে ছাত্রদলের ভূমিকা কী হওয়া উচিত, এমন প্রশ্নে মুরাদ বলেন, রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তন হলেও তাঁদের আদর্শের পরিবর্তন হয়নি। তিনি বলেন, ‘আমরা জাতীয়তাবাদী দলের দীর্ঘদিনের কর্মী। মুদ্রার দুই পিঠই দেখেছি। এর মধ্যে পরিবর্তন হয়েছে শুধু আমাদের ওপর জুলুম আর নির্যাতনের। পরিবর্তন হয়নি আমাদের আদর্শের, যেটা আগেও শিক্ষার্থীবান্ধব ছিল, এখনও তেমন আছে।’ জাবি ছাত্রদলের আদর্শ সমুন্নত রেখে সব পক্ষের সঙ্গে মিলেমিশে কাজ করা এবং পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে সংগঠনকে মানিয়ে নেওয়ার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
ছাত্রদল ক্ষমতাসীন দলের ছাত্রসংগঠনে পরিণত হওয়ার পর অতীতের ক্ষমতাসীন ছাত্রসংগঠনগুলোর মতো দখল, চাঁদাবাজি, পেশিশক্তি কিংবা প্রশাসনের ওপর প্রভাব বিস্তারের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা প্রসঙ্গে মুরাদ বলেন, এসব ছাত্রদলের আদর্শের অংশ নয়। তিনি বলেন, ‘ছাত্রদল চাঁদাবাজি, পেশিশক্তি কিংবা প্রশাসনের ওপর প্রভাব বিস্তার কোনোটাকেই তার রাজনীতির অংশ মনে করে না। কেননা, আমাদের আদর্শের মধ্যে এগুলো নেই।’ নিজের অতীত অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ছাত্রলীগের রাজনীতির শিকার হওয়ার কারণে তিনি চান না অন্য কোনো শিক্ষার্থী একই ধরনের হয়রানির শিকার হোক। বিশেষ কোনো গোষ্ঠীর প্রভাব প্রতিষ্ঠার জন্য র্যাগিং কিংবা হলের সিটের জন্য কারও পেছনে ঘোরার সংস্কৃতি বন্ধ করাকে নিজের রাজনৈতিক স্বপ্নের অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। এ বিষয়ে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণের কথাও জানান।
সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছে ছাত্রদলের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোর পরিকল্পনা সম্পর্কে মুরাদ বলেন, ছাত্রদলের মূল লক্ষ্যই শিক্ষার্থীদের পাশে থাকা। ব্যক্তিগতভাবেও তিনি সংগঠনের বাইরে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার চেষ্টা করেন বলে জানান। তিনি বলেন, ‘সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্যই আসলে আমাদের ছাত্রসংগঠন ছাত্রদল। আমি ব্যক্তিগতভাবে সংগঠনের বাইরেও সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সবসময় যোগাযোগ করার চেষ্টা করি। তাদের সঙ্গে মিশে তাদের সমস্যাগুলো জানার চেষ্টা করি।’ শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবিগুলো সমস্বরে তুলে ধরে সমাধানে ভূমিকা রাখতে পারলে ছাত্রদলের প্রতি তাঁদের আস্থা আরও বাড়বে বলে মনে করেন তিনি। ‘শিক্ষাঙ্গনে ভয়ভীতির রাজনীতি থাকবে না। সেই রাজনীতি ছাত্রদল করেনি, করবেও না। এটাই আমার পরিকল্পনা,’ বলেন মুরাদ।
সভাপতির দায়িত্ব পেলে শিক্ষার্থীদের জন্য কয়েকটি বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথাও জানান মুরাদ। এর মধ্যে রয়েছে পুরোনো হলগুলোর দৃশ্যমান সংস্কার, নতুন হলগুলোর পানি পড়ার সমস্যা সমাধান, নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় পৃথক উদ্যোগ ও নারী নেতৃত্বকে এগিয়ে নেওয়া। পাশাপাশি সেশনজট কমাতে বাৎসরিক একাডেমিক রুটিন প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে কাজ করার কথা জানান তিনি।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) ও ছাত্রদলের সম্পর্ক সহযোগিতামূলক হওয়া উচিত বলে মনে করেন মুরাদ। তিনি বলেন, ‘জাকসু আর ছাত্রদল দুটোই যেহেতু শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ করে, সেহেতু তাদের পারস্পরিক সহযোগিতাপূর্ণ সম্পর্ক থাকা উচিত।’ অন্য ছাত্রসংগঠনগুলোর সঙ্গেও শিক্ষার্থীদের স্বার্থে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি। কোনো সংগঠন পরিচয় গোপন না করে শিক্ষার্থীদের স্বার্থে কাজ করতে চাইলে তাদের সঙ্গে সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করতে ছাত্রদল প্রস্তুত বলেও জানান।
সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বীদের কেউ নেতৃত্বে এলে তাঁর সঙ্গে কাজ করবেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে মুরাদ বলেন, জাতীয়তাবাদী আদর্শের রাজনীতিতে যুক্ত সবাই একই পরিবারের সদস্য। তিনি বলেন, ‘আমরা একে অপরের প্রতিপক্ষ নই, আমরা একে অপরের ভালো কাজের প্রতিযোগী।’ তাঁর মতে, নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা যদি শিক্ষার্থীবান্ধব কাজের প্রতিযোগিতায় পরিণত হয়, তাহলে সংগঠন আরও গতিশীল হবে। নেতৃত্বে যে-ই আসুক, তৃণমূল কর্মী থেকে দায়িত্বপ্রাপ্ত সবাইকে সঙ্গে নিয়ে শিক্ষার্থীদের আস্থা অর্জনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
সাধারণ শিক্ষার্থীরা কেন তাঁকে জাবি ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে দেখতে চাইবে, এমন প্রশ্নে নিজের রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন মুরাদ। তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে সদা সম্মুখে ছিলাম, কখনো আপস করিনি। ছাত্রলীগের অত্যাচার থেকে বাঁচার জন্য কখনো আদর্শ ত্যাগ করিনি, বরং রুখে দাঁড়িয়েছি। কখনো আদর্শ বিচ্যুত কোনো কাজ করিনি, দলের সব কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেছি।’ নেতৃত্বের সুযোগ পেলে ক্যাম্পাসে সহমর্মিতার রাজনীতির দৃষ্টান্ত স্থাপন, দলীয় পদায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং জাবি ছাত্রদলের বিতর্ক শূন্যের কোটায় নিয়ে আসার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। মুরাদ বলেন, ‘আসন্ন জাকসুতে ছাত্রদলের বিজয় নিয়ে ছাত্রজীবনের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার শেষ করতে চাই। জাবি ছাত্রদলের ইতোপূর্বে যতটুকু বিতর্ক ছিল, সেগুলোকে শূন্যের কোটায় নিয়ে আসব ইনশাল্লাহ। এক বছর নয়, আশা করি এক মাসের মধ্যে আমার নেতৃত্বে পরিবর্তন সবার দৃষ্টিগোচর হবে।’





