বিতর্ক পেরিয়ে সংসারমগ্ন নোবেল
বিতর্ক যেন পিছু ছাড়ছে না ‘সারেগামাপা’খ্যাত গায়ক মাইনুল আহসান নোবেলের। ব্যক্তিজীবন থেকে ক্যারিয়ার—বিভিন্ন সময় নানা অভিযোগ ও বিতর্কে আলোচনায় এসেছেন এই শিল্পী। তবে এবার আলোচনার কারণটা একেবারেই ভিন্ন। বিতর্কিত সেই পরিচয়ের বাইরে স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে এক শান্ত, স্নিগ্ধ পারিবারিক মুহূর্তে দেখা গেল নোবেলকে। আর তাঁর এই নতুন রূপই নজর কেড়েছে নেটিজেনদের।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্ত্রী ও সন্তানের সঙ্গে বেশ কয়েকটি ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করেছেন নোবেল। তাঁর ফেসবুক প্রোফাইলের কভার ছবিতেও দেখা যাচ্ছে স্ত্রী-সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে হাস্যোজ্জ্বল নোবেলকে। ছবিগুলোতে ফুটে উঠেছে পারিবারিক আবহ। স্বাভাবিকভাবেই পোস্টগুলো ঘিরে নেটিজেনদের আগ্রহও তৈরি হয়েছে।
আরও পড়ুন: ‘বনলতা এক্সপ্রেস’-এর ইতি- এবার কোন পথে হাঁটছেন নির্মাতা?
প্রকাশিত একটি ভিডিওতে ছোট্ট ছেলেকে পাশে বসিয়ে গিটার বাজাতে দেখা যায় নোবেলকে। এ সময় জেমসের জনপ্রিয় গান ‘বাবা’ গাইতে শোনা যায় তাঁকে। বাবা-ছেলের সেই মুহূর্তটি ক্যামেরাবন্দী হয়েছে বেশ আন্তরিকভাবেই। অন্য ছবিগুলোতেও ছেলের সঙ্গে সময় কাটাতে দেখা গেছে গায়ককে।
সন্তানকে আদর করে ক্যাপশনে ‘বাপজান’ বলে সম্বোধন করেছেন নোবেল। ছবিগুলো তাঁর স্ত্রী তুলেছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। আর ভিডিওটি ধারণ করা হয়েছে টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী নবাব বাড়িতে।
আরও পড়ুন: দেবের সঙ্গে শুভশ্রীর নাচ-গান, পুরোনো প্রেম নিয়ে নেটদুনিয়ায় আলোচনা
নোবেলের এমন পারিবারিক মুহূর্ত দেখে অনেকেই ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। কেউ তাঁর ছেলের প্রশংসা করে লিখেছেন, ‘এতো সুন্দর ছেলে থাকলে আর কী লাগে!’ আবার কেউ প্রত্যাশা জানিয়েছেন, সন্তানের দিকে তাকিয়ে নোবেল যেন তাঁর পুরোনো সংগীতসত্তায় ফিরে আসেন। একজন লিখেছেন, ‘আমরা আপনাকে এভাবেই দেখতে চাই।’
নোবেলের ব্যক্তিজীবনও সাম্প্রতিক সময়ে নানা আলোচনার জন্ম দিয়েছে। গত বছর ধর্ষণ মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর পরবর্তী সময়ে মামলার বাদীকে বিয়ে করেন তিনি। সেই সংসারেই জন্ম নেয় তাঁদের পুত্রসন্তান। কিছুদিন আগে একটি মঞ্চ অনুষ্ঠানে ছেলেকে প্রকাশ্যে আনেন নোবেল। তখনও বাবা-ছেলের উপস্থিতি দর্শকদের নজর কেড়েছিল।
এবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্ত্রী-সন্তানের সঙ্গে নোবেলের ছবি ও ভিডিও প্রকাশের পর নতুন করে আলোচনায় এসেছে তাঁর পারিবারিক জীবন। বিতর্কের বাইরে এমন শান্ত, পারিবারিক নোবেলকেই দেখতে চান তাঁর অনেক অনুসারী। এখন প্রশ্ন একটাই—এই নতুন অধ্যায় কি নোবেলের জীবনে স্থায়ী পরিবর্তনের ইঙ্গিত, নাকি সময়ের সঙ্গে আবারও বদলাবে গল্প? উত্তর মিলবে তাঁর পরবর্তী পথচলাতেই।





