চার নারীর গল্প নিয়ে এবার হইচইয়ে ‘প্রেশার কুকার’, দেখা যাচ্ছে ঘরে বসেই

Shahrier Islam Pallab
বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৪:২১ অপরাহ্ন, ০৮ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ৫:২৪ পূর্বাহ্ন, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

চলতি বছরের রোজার ঈদে মুক্তি পাওয়া রায়হান রাফীর ‘প্রেশার কুকার’ সিনেমাটি এবার দেখা যাবে ঘরে বসে। ৮ অক্টোবর ওটিটি প্ল্যাটফর্ম হইচইয়ে বিশ্বজুড়ে মুক্তি পাবে সিনেমাটি। হইচই তাদের ফেসবুক পেজে এক পোস্টে জানিয়েছে, “ঢাকার চাপে চার নারীর জীবনে জমে ওঠে বিস্ফোরণ। এই শহরে যখন নিঃশ্বাস নেওয়াটাই কঠিন হয়ে ওঠে, তখন শেষ পর্যন্ত কে বাজাবে 'প্রেশার কুকার' এর সিটি?, ৮ অক্টোবর থেকে বিশ্বজুড়ে মুক্তি।”

ঢাকার নাগরিক জীবনের চাপ, সামাজিক দ্বন্দ্ব এবং ব্যক্তিগত সংগ্রামের বাস্তবতার মধ্য দিয়ে চার নারীর ভিন্ন ভিন্ন যাত্রার গল্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে ‘প্রেশার কুকার’ সিনেমাটি।সিনেমাটি চলতি বছরের ১৯ মার্চ মুক্তি পেয়েছিল।  সিনেমার প্রধান চার চরিত্রে অভিনয় করেছেন শবনম বুবলী, নাজিফা তুষি, স্নিগ্ধা চৌধুরী ও মারিয়া শান্ত।

আরও পড়ুন: নানা পাটেকারের জীবনসংগ্রাম ও ব্যক্তিজীবনের ১০ গল্প

বিভিন্ন চরিত্রে আরও রয়েছেন ফজলুর রহমান বাবু, চঞ্চল চৌধুরী, শহীদুজ্জামান সেলিম, মিশা সওদাগর, গাজী রাকায়েত, আজিজুল হাকিম ও সাবেরী আলম।

পরিচালক রাফীর ভাষ্য, “এই ঢাকা শহর আসলে মেয়েদের জন্য একটা প্রেশার কুকার। তাদের চিৎকার সহ্য না করতে পারলে এই প্রেশার কুকারে সিটি বেজে ওঠে। এটা ঈদের জন্য নতুন স্বাদের সিনেমা। দর্শক হলে হাসি, চিন্তা, অবাক করা অভিজ্ঞতা পাবে। গল্পের সঙ্গে সঙ্গে দর্শকেরও চাপ বাড়বে।”

আরও পড়ুন: বয়স যেন শুধুই সংখ্যা, মোহময়ী জয়া আহসান

ইমপ্রেস টেলিফিল্ম ও রায়হান রাফীর প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান কানন ফিল্মসের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত হয়েছে সিনেমাটি।নির্মাতা জানিয়েছেন, নিজের প্রথম প্রযোজিত এই সিনেমাটি উৎসর্গ করছেন প্রয়াত নির্মাতা তারেক মাসুদকে। 

639433584_26004446982539876_4590876197062655777_n_20260311_151024650_20260924_114017687

রাফী বলেন, “তারেক মাসুদকে দেখেই সিনেমা বানাতে অনুপ্রাণিত হয়েছি। তিনি আমার গুরুতুল্য। তাই আমার প্রথম প্রযোজিত সিনেমাটি তাকে উৎসর্গ করাটা বিশেষ অর্থ বহন করে।” দুই ঘণ্টা ৩৩ মিনিটের ক্রাইম-ড্রামা জনরার সিনেমাটির চিত্রনাট্য লিখেছেন রায়হান রাফী, মেহেদি হাসান মুন ও সিয়াম সামস তুষ্ট। সিনেমাটোগ্রাফি করেছেন জোয়াহের মুসাভভির জ্যোতি, সম্পাদনায় ছিলেন সিমিত রয় অন্তর।

মিউজিক করেছেন জাহিদ নীরব, আরাফাত মহসিন, তানভীর আহমেদ ও ইমন চৌধুরী বিজয়া। পোশাক পরিকল্পনায় ছিলেন রত্নাবলি বড়ুয়া। রঙ বিন্যাস দেবজ্যোতি ঘোস, শব্দ-পরিকল্পনা করেছেন রিপন নাথ ও ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর করেছেন রুসলান রেহমান। শিল্প নির্দেশনায় ছিলেন নাসিব খান। মেক-আপ আর্টিস্ট হিসেবে ছিলেন মাহবুব রহমান মানিক।