নীরবতা ভাঙলেন রশ্মিকা

Shahrier Islam Pallab
বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৫:০৫ অপরাহ্ন, ২৬ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ৫:০৬ অপরাহ্ন, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

সাক্ষাৎকারের বক্তব্য ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা এবং তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠার পর নীরবতা ভেঙেছেন দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রশ্মিকা মান্দান্না। তার দাবি, পুরো বিষয়টি নিয়ে মানুষের মতামত প্রকাশের চেয়ে ক্ষোভ প্রকাশের প্রবণতাই বেশি দেখা যাচ্ছে। এতে সাক্ষাৎকারের মূল বক্তব্য আড়ালে পড়ে গেছে। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ বিষয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন রশ্মিকা। সাধারণত ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সমালোচনার জবাব দেন না বলে জানান তিনি। তবে সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারটি যেভাবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে, তাতে নিজের বক্তব্য স্পষ্ট করা প্রয়োজন বলে মনে করেছেন অভিনেত্রী।

বিবৃতিতে রশ্মিকা বলেন, মানুষের নিজস্ব মতামত প্রকাশের অধিকার রয়েছে। অন্যের দৃষ্টিভঙ্গি জানার মাধ্যমে নতুন কিছু শেখার সুযোগও থাকে। তবে তার ও বিজয় দেবেরকোন্ডাকে ঘিরে সাম্প্রতিক আলোচনা সেই স্বাভাবিক মতবিনিময়ের পর্যায়ে নেই। বরং পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে, মানুষ যেন নিজেদের ক্ষোভ প্রকাশের জন্য কাউকে খুঁজছে।

আরও পড়ুন: হত্যার হুমকির অভিযোগে তানজিন তিশার বিরুদ্ধে নতুন মামলা

অভিনেত্রীর ভাষ্য, আলোচনার একপর্যায়ে তিনি যে বার্তা দিতে চেয়েছিলেন, সেটিই হারিয়ে গেছে। কারও দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে তার বক্তব্যের মিল না-ও থাকতে পারে। কেউ কেউ হয়তো বিষয়টি ভিন্নভাবে দেখতে চান। কিন্তু সে কারণে মূল বক্তব্য উপেক্ষা করা উচিত নয় বলে মনে করেন তিনি।

ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত বিবৃতিতে নির্দিষ্ট কোনো সাক্ষাৎকার বা বিতর্কিত মন্তব্যের বিস্তারিত উল্লেখ করেননি রশ্মিকা। বরং সমালোচনার ধরন এবং তার বক্তব্যের মূল উদ্দেশ্য কীভাবে আড়ালে চলে গেছে, সেদিকেই নজর দিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন: নিজের আঁকা ছবিতে কাকদের বাঁচিয়ে রাখতে চান ভাবনা

কেন প্রকাশ্যে এ বিষয়ে কথা বলছেন, তার ব্যাখ্যায় রশ্মিকা জানান, তিনি ভালোবাসায় বিশ্বাসী মানুষদের পাশে দাঁড়াতে চান। একই সঙ্গে প্রত্যেকের জীবনে ভালোবাসার নিজস্ব অর্থ ও উপলব্ধি খুঁজে পাওয়ার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন অভিনেত্রী।

সাম্প্রতিক এ বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সাক্ষাৎকার ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করলেন রশ্মিকা। তবে তার এই বিবৃতির পর সমালোচনার পরিস্থিতি কী দিকে যায়, সেটিই এখন দেখার বিষয়।