৩০ হাজার টন জ্বালানি তেল নিয়ে দেশে পৌঁছেছে আরও একটি জাহাজ

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৮:০৮ পূর্বাহ্ন, ২৭ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ৮:০৮ পূর্বাহ্ন, ২৭ মার্চ ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

দেশের জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আরও একটি জাহাজে করে ৩০ হাজার টন জ্বালানি তেল দেশে এসেছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে ‘এমটি গ্রান কুভা’ নামের জাহাজটি এই তেল নিয়ে পৌঁছায়।

জানা গেছে, জাহাজটিতে ১০ হাজার টন ডিজেল এবং ২০ হাজার টন জেট ফুয়েল রয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী এসব জ্বালানি সরবরাহ করেছে চীনের প্রতিষ্ঠান ইউনিপেক।

আরও পড়ুন: ঈদকে সামনে রেখে বাজারে অস্থিরতা, বেড়েছে মাংস-মসলা-মাছের দাম

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা যায়, আমদানিকৃত ডিজেল পরিবহন ও শিল্প খাতে ব্যবহার করা হবে। আর জেট ফুয়েল দেশের বিভিন্ন বিমানবন্দরে সরবরাহ করা হবে।

সাম্প্রতিক বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সরবরাহে কিছুটা অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও নতুন এই চালান পরিস্থিতি কিছুটা স্বস্তিদায়ক হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

আরও পড়ুন: আগামীকাল থেকে মার্কেট-শপিংমলে আলোকসজ্জা বন্ধের ঘোষণা

বিপিসির চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান জানান, পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী জাহাজটি দেশে পৌঁছেছে এবং বর্তমানে কোনো জ্বালানি সংকট নেই। পাশাপাশি বিকল্প উৎস থেকেও তেল সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, চলতি মাসে মোট ১৭টি জাহাজে করে জ্বালানি আসার কথা রয়েছে। এর মধ্যে ইতোমধ্যে আটটি জাহাজ এসেছে, আর সর্বশেষ এই জাহাজটি যোগ হয়েছে সেই তালিকায়।

বাংলাদেশ প্রতিবছর প্রায় ৬৫ থেকে ৬৮ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানি করে থাকে। এর মধ্যে প্রায় ২০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল, যা দেশে পরিশোধন করা হয়। বাকি ৮০ শতাংশ পরিশোধিত তেল হিসেবে বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়।

এদিকে আগামী এপ্রিল মাসে ১৪টি জাহাজ ও পাইপলাইনের মাধ্যমে জ্বালানি আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে। মে মাসেও একাধিক জাহাজে করে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি দেশে আনার সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।