শুরু রাষ্ট্রীয় বিদায় অনুষ্ঠান

খামেনির জানাজা ও দাফন ঘিরে তেহরানে শোকের আবহ

Sadek Ali
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ৯:৪৫ পূর্বাহ্ন, ০৩ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ১১:১৪ পূর্বাহ্ন, ০৩ জুলাই ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলায় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি নিহত হওয়া ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা ও দাফনকে ঘিরে তেহরানে শুরু হয়েছে রাষ্ট্রীয় বিদায় আয়োজন। দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ ছয় দিনব্যাপী রাষ্ট্রীয় জানাজার কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। দাফনের আগে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে সাধারণ মানুষের উপস্থিতিও বাড়তে শুরু করেছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মরদেহবাহী কফিনটি মধ্য তেহরানে তার নিহত হওয়ার স্থানে নেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: কিয়েভে রাশিয়ার ব্যাপক ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, নিহত বেড়ে ২৭

ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান ব্রডকাস্টিং (আইআরআইবি) জানিয়েছে, পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই শহীদ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মরদেহ বহনকারী কফিনটি তার শাহাদাতের স্থানে নেওয়া হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় এই শোকযাত্রার মধ্য দিয়েই শুক্রবার থেকে শুরু হতে যাওয়া বৃহৎ বিদায় অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুন: শিগগিরই চালু হতে পারে বাংলাদেশ-ভারত মিতালী এক্সপ্রেস ট্রেন

রাজধানীতে কফিন পৌঁছানোর পর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং নতুন হামলার আশঙ্কায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়েছে।

তেহরানের বিভিন্ন এলাকায় কালো পোশাক পরিহিত মানুষকে জাতীয় পতাকা হাতে শোক প্রকাশ করতে দেখা গেছে। অনেকেই খামেনির ছবি বহন করেন এবং আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। ইরানি কর্তৃপক্ষের পরিকল্পনা অনুযায়ী, শনিবার থেকে আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দাফনসংক্রান্ত কর্মসূচি চলবে।

খামেনির অফিসিয়াল এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত এক ছবিতে দেখা যায়, তার কফিন একটি ছোট কক্ষে রাখা হয়েছে, যার দেয়াল ইরানের জাতীয় পতাকায় সজ্জিত।

ছবিতে আরও দেখা যায়, কফিনের ওপর সাদা অক্ষর লেখা একটি লাল পতাকা বিছানো রয়েছে। এটি ইমাম হোসেনের মাজারের পবিত্র পতাকা, যা ইরানি সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী প্রতিরোধ, ত্যাগ ও সত্যের প্রতি অবিচল অঙ্গীকারের প্রতীক।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় খামেনির মরদেহ তেহরানের একটি মসজিদে নেওয়া হয়। সেখানে দেশটির শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত হয়ে তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানান।