গণভোটের বৈধতা চ্যালেঞ্জ ও ফল বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট

Any Akter
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৫:৪৯ অপরাহ্ন, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ৩:৪৭ পূর্বাহ্ন, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোটের বৈধতা চ্যালেঞ্জ এবং ১৩ ফেব্রুয়ারি ঘোষিত এর ফলাফল বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন দায়ের করা হয়েছে। রিটে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি), মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং আইন মন্ত্রণালয়ের সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এ বি এম আতাউল মজিদ তৌহিদ জনস্বার্থে এই রিটটি দায়ের করেন।রিটের মূল যুক্তি: ‘সংবিধান পরিপন্থী’রিট আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বর্তমান সরকারের প্রধান উপদেষ্টা এবং অন্যান্য উপদেষ্টারা সংবিধান রক্ষার শপথ নিয়েছেন।

কিন্তু বিদ্যমান সংবিধানে কোথাও 'গণভোট' আয়োজনের কোনো আইনি বিধান নেই। ফলে এই পুরো প্রক্রিয়াটিই সংবিধান পরিপন্থী এবং এর মাধ্যমে ঘোষিত ফলাফল অবৈধ বলে দাবি করা হয়েছে।রিটকারী আইনজীবী আতাউল মজিদ তৌহিদ বলেন, “আগামী সপ্তাহে বিচারপতি ফাতেমা নজীবের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে এই রিটটির শুনানি হতে পারে।”এক নজরে গণভোটের ফলাফলগত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি দেশজুড়ে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন: রমজানে স্কুল বন্ধের আদেশ স্থগিত

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) যে আনুষ্ঠানিক ফলাফল প্রকাশ করে, তার সারসংক্ষেপ নিচে দেওয়া হলো:মোট ভোটার: ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন।ভোট প্রদানের হার: ৬০.২৬ শতাংশ।‘হ্যাঁ’ ভোট: ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯টি।‘না’ ভোট: ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭টি।বাতিলকৃত ভোট: ৭৪ লাখ ২২ হাজার ৬৩৭টি।‘জুলাই জাতীয় সনদ’ ও সংবিধান সংস্কারের লক্ষ্যে এই গণভোটের আয়োজন করা হয়েছিল। ইসির বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গণভোট অধ্যাদেশ ২০২৫-এর ১৬(৩) ধারা অনুযায়ী এই ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। তবে হাইকোর্টে রিট দায়েরের ফলে এই সংস্কার প্রক্রিয়ার আইনি বৈধতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।


আরও পড়ুন: রমজানে হাইস্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের নির্দেশ