তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইস্যুতে আপিল বিভাগের রায় বৃহস্পতিবার

Any Akter
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ২:১১ অপরাহ্ন, ০৮ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ৯:৪১ পূর্বাহ্ন, ০৯ জুলাই ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলসহ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর কয়েকটি বিধান অবৈধ ঘোষণা করে দেওয়া হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিলের শুনানি শেষ হয়েছে। এ বিষয়ে আগামী বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রায় ঘোষণা করবেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত, আপিল বিভাগ। বুধবার (৮ জুলাই) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ টানা তিন দিনের শুনানি শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রেখে বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। অপরদিকে রিট আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির এবং ড. শরীফ ভূঁইয়া।

আরও পড়ুন: সংবিধানে ফিরলো গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা

এর আগে গত বছরের ১৩ নভেম্বর হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিলের শুনানির অনুমতি (লিভ টু আপিল) দেন আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এ আদেশ দিয়েছিলেন।

মামলার প্রেক্ষাপট অনুযায়ী, পৃথক দুটি রিট আবেদনের চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০২৪ সালের ১৭ ডিসেম্বর হাইকোর্ট সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর কয়েকটি ধারা অসাংবিধানিক ও বাতিল ঘোষণা করে রায় দেন। ওই রায়ের ফলে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালের বিষয়ে আইনি ভিত্তি তৈরি হলেও বাস্তবায়নসংক্রান্ত কিছু বিষয় তখনও নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ছিল।

আরও পড়ুন: সিটি গ্রুপের চেয়ারম্যানসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

পরবর্তীতে হাইকোর্টের ওই রায়ের বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি আপিল দায়ের করা হয়। আপিলকারীদের মধ্যে রয়েছেন সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর সম্পাদকসহ চার ব্যক্তি, নওগাঁর বাসিন্দা মো. মোফাজ্জল হোসেন এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ৩০ জুন তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার জাতীয় সংসদে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী পাস করে। ওই সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলোপ করা হয় এবং সংবিধানের মোট ৫৪টি ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনা হয়।

বৃহস্পতিবার ঘোষিত হতে যাওয়া আপিল বিভাগের রায় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা এবং সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী-সংক্রান্ত আইনি প্রশ্নে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দিতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবী ও পর্যবেক্ষকদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।