উপনির্বাচনে পুলিশ ‘শতভাগ নিরপেক্ষভাবে’ দায়িত্ব পালন করবে
ঢাকা-১৭ সংসদীয় আসনের উপনির্বাচন আগামী ১৭ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে।
ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচনে সুষ্ঠু ও পক্ষপাতহীন ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে পুলিশ বাহিনী ‘শতভাগ নিরপেক্ষভাবে’ দায়িত্ব পালন করবে বলে নিশ্চয়তা দিয়েছেন ঢাকার পুলিশ কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক।
আরও পড়ুন: দুই দেশের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে সিদ্ধান্ত ভারতের: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ
তিনি বলেছেন, ভোটে পুলিশের নিরপেক্ষতার প্রমাণ না পেলে তিনি ‘নাকে খত দিয়ে’ চলে যাবেন।
১৭ জুলাই এ উপ নির্বাচন সামনে রেখে মঙ্গলবার সকালে শেরেবাংলা নগরের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়ালের সভাপতিত্বে আইনশৃঙ্খলা সভা হয়।
আরও পড়ুন: রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের ৪২তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বিভিন্ন আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর প্রতিনিধি এবং ঢাকা মহানগর পুলিশের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন সেখানে।
আড়াই ঘণ্টার বৈঠক শেষে ইসি সচিব জাহাংগীর আলম বলেন, ১৭ জুলাই ঢাকা-১৭ আসনের উপ নির্বাচনের পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় আরও ৭৫টি ভোট রয়েছে। এর মধ্যে ঢাকার ভোট হবে ব্যালট বাক্স ও ব্যালট পেপারে।
“আমাদের বার্তা একটি সুষ্ঠু, সুন্দর নির্বাচন করা। পুলিশ-প্রশাসনের প্রতি শতভাগ আস্থা রয়েছে আমাদের।”
ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী সুষ্ঠু ভোট আয়োজনে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী সব ধরনের পদক্ষেপ নেবে জানিয়ে পুলিশ কমিশনার গোলাম ফারুক বলেন, “আমাদের নিরপেক্ষতা প্রমাণের জায়গা শতভাগ থাকবে।
ভোটে পুলিশের নিরপেক্ষতার ‘শতভাগ গ্যারান্টি’ দিলেন ডিএমপি কমিশনার। “আমি একশ ভাগ গ্যারান্টি দিলাম। ১৭ জুলাইয়ের নির্বাচন দেখেন, আমাদের নিরপেক্ষতা প্রমাণ পান কিনা। যদি না পান, তখন বলবেন, আমি ডিএমপি কমিশনার হিসেবে নাকে খত দিয়ে চলে যাব।”
ইসি যে ধরনের সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন করতে চায়, তাতে পুলিশের তরফ থেকে সব সময় সহযোগিতা থাকবে বলে মন্তব্য করেন ডিএমপি কমিশনার।
তিনি বলেন, “ভোট নির্ভর করে জনগণের ওপর। প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসারের ওপর। আমারদের কাজ হল কেন্দ্রের পুরো আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা, যাতে ভোটারারা নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন।”





