তিন সন্দেহভাজনকে ধরিয়ে দিতে জনতার প্রতি আহ্বান ডাকসু নেত্রীর

Sadek Ali
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৫:২২ অপরাহ্ন, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫ | আপডেট: ৫:২২ অপরাহ্ন, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনায় নতুন মোড় নিয়েছে তদন্ত। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তিন ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে তাদের ধরিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) মুক্তিযুদ্ধ ও গণতন্ত্র সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা।

শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) দুপুরে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওসমান হাদির একটি ছবি পোস্ট করেন জুমা। ছবিতে থাকা তিনজনকে আলাদা করে চিহ্নিত করে তিনি লেখেন, ‘এই তিনজনকে যেকোনো মূল্যে ধরিয়ে দিন। বাংলাদেশের জনতাই ইনকিলাবের কর্মী—এই দায়িত্ব আপনাদেরই নিতে হবে।’

আরও পড়ুন: ফ্যাসিবাদের করুণ পরিণতির কথা মাথায় রেখে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার

পোস্টে তিনি প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। জুমা অভিযোগ করেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জনগণকে তথ্য দেওয়ার বদলে উল্টো সাধারণ মানুষের কাছ থেকেই আপডেট চাইছে, যা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলছে।

এর আগে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য মোহাম্মদ ওসামা দাবি করেন, হামলাকারীরা দীর্ঘদিন ধরেই ওসমান হাদির খুব কাছের পরিবেশে ছিল। তার ভাষ্য অনুযায়ী, গুলিবর্ষণকারী দুজন প্রায় দুই সপ্তাহ আগে হাদির নির্বাচনী প্রচারণা টিমে যুক্ত হয়। মাঝখানে কয়েকদিন তাদের দেখা না গেলেও ঘটনার কয়েকদিন আগে তারা আবার সক্রিয়ভাবে প্রচারণায় অংশ নেয়।

আরও পড়ুন: নির্বাচনী কর্মকর্তাদের বিকাশ নম্বর সংগ্রহে প্রতারক চক্র, সতর্ক করল ইসি

ওসামা আরও জানান, হামলার দিন একটি মোটরসাইকেলে করে আসা দুজনের একজন খুব কাছ থেকে হাদিকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়।

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফশিল ঘোষণার পরদিন শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুর ২টা ২৫ মিনিটের দিকে রাজধানীর বিজয়নগরের বক্স কালভার্ট এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন শরিফ ওসমান হাদি। গুরুতর অবস্থায় প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই হামলার ঘটনায় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে নির্বাচনের আগে প্রার্থীদের নিরাপত্তা এবং অভ্যন্তরীণ অনুপ্রবেশের ঝুঁকি নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।