বিএনপির শাসনামলেই মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে: ড. এম এ কাইয়ুম
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী এবং ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও দলের ক্ষুদ্রঋণ বিষয়ক সম্পাদক ড. এম এ কাইয়ুম বলেছেন, ঢাকা-১১ সংসদীয় আসনে বিএনপি যতবার রাষ্ট্রক্ষমতায় এসেছে, ততবারই এ এলাকার মানুষের ভাগ্যের বাস্তব পরিবর্তন হয়েছে। রাজধানীর ভাটারা এলাকায় ঢাকাস্থ ভোলাবাসীর কর্তৃক আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক এই প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বলেন, ১৯৯১ সালে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারই প্রথম বাড্ডা, ভাটারা ও রামপুরা এলাকার মানুষের ঘরে ঘরে গ্যাস ও বিদ্যুতের ব্যবস্থা নিশ্চিত করে। ওই সময় থেকেই এই অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রায় দৃশ্যমান পরিবর্তন আসে। কিন্তু পরবর্তী সময়ে স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকার উন্নয়নের নামে দেশের সম্পদ লুটপাট করেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
আরও পড়ুন: মারা গেছেন সাবেক এমপি সেলিমা আহমাদ
তিনি বলেন, উন্নয়ন মানে শুধু বড় বড় প্রকল্প নয়। সমাজে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য কাজ না করলে প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়। বিএনপি সবসময় সাধারণ মানুষের কথা ভেবেই রাজনীতি করেছে।
জনসভায় বিএনপির ক্ষুদ্র ঋণ বিষয়ক ড. এম এ কাইয়ুম আরও বলেন, তিনি ঢাকা-১১ আসনের মানুষের কাছে যে প্রতিশ্রুতি তুলে ধরেছেন, জনগণ তা আন্তরিকভাবে গ্রহণ করেছে। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন,ইনশাআল্লাহ জনগণ ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে আমাকে বিজয়ী করবে।
আরও পড়ুন: ক্রীড়াঙ্গনের কিংবদন্তি আবদুস সাদেকের মৃত্যুতে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রীর শোক
নারীর নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ঢাকা-১১ আসনের কর্মজীবী মা-বোনদের জন্য একটি নিরাপদ এলাকা গড়ে তোলা হবে, যেখানে তারা কোনো ধরনের হয়রানির শিকার হবেন না। কর্মজীবী নারীরা যেন নিশ্চিন্তে কর্মস্থলে যেতে পারেন এবং তাদের সন্তানদের নিরাপদে রেখে যেতে পারেন-এ জন্য আধুনিক ও নিরাপদ ডরমিটরি নির্মাণ করা হবে বলেও জানান তিনি।
এছাড়া মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে ড. এম এ কাইয়ুম বলেন, হকার থেকে শুরু করে সমাজের সব স্তর থেকে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি বন্ধ করা হবে। এই এলাকায় কোনো অপরাধীর ঠাঁই হবে না। জনগণকে সঙ্গে নিয়েই একটি শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ ঢাকা-১১ গড়ে তোলা হবে।
তরুণ সমাজকে আগামীর শক্তি হিসেবে উল্লেখ করে ঢাকা-১১ আসনের মাটি ও গণমানুষের এই নেতা বলেন, তরুণদের জন্য এমন একটি পরিবেশ তৈরি করা হবে, যেখানে তারা নিজেদের মধ্যে অভিজ্ঞতা ও নতুন ব্যবসায়িক ধারণা শেয়ার করতে পারবে। সেখানে থাকবে ফ্রি ওয়াইফাই জোনসহ নানা সুযোগ-সুবিধা, যা তরুণদের সৃজনশীলতা ও উদ্যোক্তা মানসিকতা বিকাশে সহায়ক হবে।
ড. এম এ কাইয়ুম বলেন, ঢাকা-১১ আসনের মানুষ পরিবর্তন চায়, নিরাপত্তা চায় এবং সম্মানের সঙ্গে বাঁচতে চায়। আমি সেই প্রত্যাশার প্রতিনিধিত্ব করেই রাজনীতিতে এসেছি। ইনশাআল্লাহ জনগণের রায়ে নির্বাচিত হয়ে তাদের প্রত্যাশা বাস্তবায়ন করবো।





