শহর এলাকাতেই হচ্ছে বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়

Sanchoy Biswas
বগুড়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৪:৩৬ অপরাহ্ন, ০৩ অগাস্ট ২০২৬ | আপডেট: ৩:০৪ পূর্বাহ্ন, ০৪ অগাস্ট ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

শহর এলাকাতেই স্থাপিত হচ্ছে বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অচিরেই বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থানের ঘোষণা দেবেন। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম রোববার (২ আগস্ট) বিকেলে স্থানীয় ‘প্রযুক্তিজ্ঞান-সম্পন্ন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির মাধ্যমে দক্ষতা উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

বগুড়ায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় নয়, বরং কৃষি ও প্রকৌশল অনুষদসহ সর্বাধুনিক গবেষণা-সুবিধাসম্পন্ন একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে। বগুড়া শহর এলাকাতেই স্থাপিত হবে বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়। অচিরেই গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য প্রস্তাবিত চূড়ান্ত স্থানের নাম ঘোষণা করবেন।

আরও পড়ুন: ফেনীতে আকস্মিক গ্যাস সংকট, রান্না বন্ধ; অচল সিএনজি পাম্প, চরম দুর্ভোগে জনজীবন

এ সময় প্রতিমন্ত্রী জানান, বগুড়া জেলার দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা এবং উত্তরাঞ্চলের উচ্চশিক্ষার পরিধিকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার লক্ষ্যেই এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টিকে কেবল পাঠদানের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বিশ্বমানের গবেষণা প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা হবে। বিশেষ করে আঞ্চলিক কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং আধুনিক প্রযুক্তি উদ্ভাবনে এতে জোর দেওয়া হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদ উত্তরবঙ্গের কৃষিনির্ভর অর্থনীতিকে নতুন মাত্রা দিতে উন্নত শস্য গবেষণা, বায়োটেকনোলজি এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ওপর বিশেষ প্রাধান্য দেবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চাহিদা মেটাতে কম্পিউটার সায়েন্স, সিভিল, মেকানিক্যালসহ আধুনিক সব ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ রাখা হবে।

আরও পড়ুন: জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শ্রমিকদের অবদান স্বীকৃতির দাবি, ন্যায্য মজুরির আহ্বান

বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান নির্ধারণের পর জমি অধিগ্রহণসহ প্রাথমিক অবকাঠামো নির্মাণের কার্যক্রম দ্রুতই আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে। দীর্ঘদিনের দাবিকৃত এই পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলে তা উত্তরাঞ্চলের উচ্চশিক্ষা, অর্থনীতি এবং সামগ্রিক উন্নয়নে এক নতুন যুগের সূচনা করবে বলে মনে করেন তিনি।