মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশি শ্রমিকের চাহিদা বাড়তে পারে: প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে বাংলাদেশের শ্রমবাজার বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়বে না বলে জানিয়েছেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক নুর। বরং যুদ্ধ-পরবর্তী পুনর্গঠন কার্যক্রমে বাংলাদেশি শ্রমিকদের নতুন চাহিদা তৈরি হতে পারে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।
আরও পড়ুন: ঢাকা ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়নের উদ্যোগ নিল সরকার
তিনি জানান, বৈঠকে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের শ্রমবাজারের সম্ভাব্য সংকট ও সুযোগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। যুদ্ধের কারণে বিভিন্ন দেশের অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ভবিষ্যতে পুনর্নির্মাণ কার্যক্রমে বিপুল জনশক্তির প্রয়োজন হবে, যা বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যে আমাদের বিপুলসংখ্যক শ্রমিক কর্মরত। বর্তমান পরিস্থিতিতে সাময়িক কিছু প্রভাব পড়তে পারে, তবে দীর্ঘমেয়াদে শ্রমবাজার খুব বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। বরং পুনর্গঠন কার্যক্রমে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে।”
আরও পড়ুন: জ্বালানি আমদানিতে বাড়তি ব্যয় নিয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা: অর্থমন্ত্রী
তৃতীয় ভাষা শেখার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, বিদেশে ভালো কর্মসংস্থান ও উচ্চ বেতনের জন্য ভাষাগত দক্ষতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রধানমন্ত্রীও এ বিষয়ে গুরুত্ব দিয়েছেন বলে জানান তিনি।
জনশক্তি রপ্তানিতে সিন্ডিকেট প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কিছু দেশে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ থাকায় ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। এ ধরনের সিন্ডিকেট ভাঙতে সরকার কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক পর্যায়ে উদ্যোগ নিয়েছে এবং অভিবাসন ব্যয় নির্ধারণের কাজ চলছে।
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা এ বাজার পুনরায় চালুর বিষয়ে কাজ চলছে। একই সঙ্গে ভিয়েতনামসহ অন্যান্য সম্ভাবনাময় শ্রমবাজার খুলতে সরকার আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। শিগগিরই এ বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।





