সৌরশক্তি থেকে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ সরকারের
বর্তমানে চলমান জ্বালানি সংকট নিরসন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তর ত্বরান্বিত করার ব্যাপক কৌশলের অংশ হিসেবে সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে সৌরশক্তি থেকে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।
বৃহস্পতিবার রাতে বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুন: শাহজালাল বিমানবন্দর ইউনিট কল্যাণ কমিটির নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বিনিয়োগ প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির উন্নয়নকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে একটি প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।
সৌরশক্তির সম্প্রসারণকে বাধাগ্রস্ত করে আসা দীর্ঘদিনের প্রতিবন্ধকতাগুলো দূর করা এবং বেসরকারি খাতের বৃহত্তর অংশগ্রহণ আকর্ষণ করাই এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য।
আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে পুতিনের অভিনন্দন
এই পরিকল্পনার অধীনে সরকার বৃহৎ আকারের সৌর প্রকল্প বাস্তবায়নের সুবিধার্থে উপযুক্ত সরকারি জমি সরবরাহ করবে। তিনি আরও বলেন, জমি ও নীতিগত সহায়তার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় সমর্থন দেওয়া হলেও, প্রকল্পগুলো মূলত বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের দ্বারাই পরিচালিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তিনি জানান, একটি সুসংহত বাস্তবায়ন পরিকল্পনার অধীনে বিনিয়োগকারীদের জন্য এই খাতে প্রবেশ এবং তাদের মূলধন পুনরুদ্ধার সহজ করার লক্ষ্যে একটি সংশোধিত নীতিমালার খসড়া তৈরির জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এই কমিটি হাসপাতাল ও স্কুলের মতো সরকারি প্রতিষ্ঠানের ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপনসহ ছোট আকারের সৌর উদ্যোগগুলোর কার্যকারিতা সীমিত করে রাখা বিদ্যমান বিধিমালাগুলোও পর্যালোচনা করবে। প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা, বিশেষ করে সঞ্চালন পরিকাঠামো এবং গ্রিড একীকরণ সম্পর্কিত সমস্যাগুলো ছোট প্রকল্পগুলোর সম্প্রসারণে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে। নতুন এই পদ্ধতিতে দক্ষতা ও সমন্বয় উন্নত করার জন্য বৃহত্তর ও সমন্বিত সৌর স্থাপনাগুলোর উন্নয়নে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।





