পরীক্ষায় ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’ নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর নতুন নির্দেশ

Any Akter
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৯:৩৪ অপরাহ্ন, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ৯:৩৪ অপরাহ্ন, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

আসন্ন এসএসসি, এইচএসসি ও সমমানের পাবলিক পরীক্ষাগুলোতে ‘নীরব বহিষ্কার’ বা সাইলেন্ট এক্সপেল-এর কোনো সুযোগ থাকছে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আসন্ন পাবলিক পরীক্ষা-২০২৬ সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে অংশীজনদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ তথ্য জানান।

আরও পড়ুন: দুই দেশের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে সিদ্ধান্ত ভারতের: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া বা ‘ডিউ প্রসেস’ ছাড়া কাউকে বহিষ্কার করা আইনসম্মত নয়। এ কারণে শিক্ষা বোর্ডের পুরনো নীতিমালায় থাকা বিতর্কিত ২৯ নম্বর ধারা অবিলম্বে বাতিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি এ বিষয়ে বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘নীরব বহিষ্কার বলে কোনো কিছু থাকতে পারে না। ১৯৮০ সালের পাবলিক পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ আইনেও এমন কোনো বিধান ছিল না। এটি সম্পূর্ণ আইনবিরুদ্ধ।’

আরও পড়ুন: রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের ৪২তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘কাউকে শাস্তি দিতে হলে তা স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে দিতে হবে। পরীক্ষা কেন্দ্রে কোনো অনিয়ম হলে সেটি সেখানেই প্রমাণ করতে হবে। পরে নীরবে খাতা বাতিল করার সুযোগ নেই।’

সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘নীরব বহিষ্কার’ নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, সেটিকে বিভ্রান্তি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১৯৬১ সালের পুরনো নীতিমালার অসংগতিপূর্ণ কপি থেকে এ ভুল ধারণা ছড়িয়েছে।

ড. এহছানুল হক মিলন জানান, আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এ বিষয়ে শিগগিরই স্পষ্টীকরণ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে।

তিনি আরও বলেন, আগামী ২ জুলাই থেকে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হবে এবং পাঁচ সপ্তাহের মধ্যে তা শেষ করা হবে। এছাড়া ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করে মন্ত্রী বলেন, কঠোর আইন মূলত শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিবদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে প্রণয়ন করা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের হয়রানির জন্য নয়।

শিক্ষার মানোন্নয়নে সরকারের উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তিনি জানান, দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এনটিআরসিএ’র মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক ও অধ্যক্ষ নিয়োগে লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে।

বৈঠকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ দেশের জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও শিক্ষক প্রতিনিধিরা অংশ নেন।