অসাধু ব্যবসায়ীদের অবৈধ মজুতের জন্যই ফিলিং স্টেশনগুলোতে কৃত্রিম সংকট তৈরি হচ্ছে

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৬:৩৮ অপরাহ্ন, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ৮:০৯ অপরাহ্ন, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

দেশে অসাধু ব্যবসায়ীদের অবৈধ মজুত ও কালোবাজারির কারণে ফিলিং স্টেশনগুলোতে কৃত্রিম সংকট তৈরি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ (টুকু)।

রোববার (১৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে নেত্রকোনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মাছুম মোস্তফা-এর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব তথ্য জানান।

আরও পড়ুন: সোমবার কারামুক্তিতে ই-বেইল বন্ড উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

এ সময় জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ীর অবৈধ মজুত ও কালোবাজারির কারণে এই কৃত্রিম সংকট পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া জনমনে ভীতি ও অতিরিক্ত তেল কেনার প্রবণতা (প্যানিক বায়িং) সংকটকে আরও ঘনীভূত করছে। একই সঙ্গে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, পাম্পে মোটরসাইকেলে নির্দিষ্ট পরিমাণ তেল দেওয়া বা রং লাগানোর বিষয়ে কোনো সরকারি নির্দেশনা নেই।

তিনি বলেন, কৃত্রিম সংকট নিরসনে ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বেশ কিছু কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। সারা দেশে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন এবং বিপিসি কর্তৃক ট্যাগ অফিসার নিয়োগ করা হয়েছে। অবৈধ মজুতকারীদের ধরতে সারা দেশে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: জ্বালানি সাশ্রয়ে হাইকোর্টে আংশিক ভার্চুয়াল বিচারকার্য শুরু

এ পর্যন্ত ৯ হাজার ১১৬টি অভিযানে ৩ হাজার ৫১০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এতে ১ কোটি ৫৬ লাখ ৯ হাজার ৬৫০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় এবং ৫ লাখ ৪২ হাজার লিটার জ্বালানি তেল জব্দ করা হয়েছে। মজুত ও কালোবাজারি প্রতিরোধে পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনীর তৎপরতা অব্যাহত।

জ্বালানিমন্ত্রী আরও জানান, জ্বালানি তেল বিপণনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ঢাকা মহানগরীর কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে পরীক্ষামূলকভাবে ‘ফুয়েল কার্ড’ চালু করা হয়েছে। এই কার্ডের মাধ্যমে গ্রাহকদের জ্বালানি সংগ্রহের তথ্য সংরক্ষিত থাকবে। এই উদ্যোগ সফল হলে পর্যায়ক্রমে তা সারা দেশব্যাপী বাস্তবায়ন করা হবে।