জাতীয় স্বার্থ ক্ষুণ্ন করে কোনো চুক্তি হবে না: মির্জা ফখরুল
দেশের জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী কোনো চুক্তি সরকার করবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শনিবার দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ফারাক্কা লংমার্চ দিবস উপলক্ষে বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আরও পড়ুন: শাহজালাল বিমানবন্দর ইউনিট কল্যাণ কমিটির নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত
মির্জা ফখরুল বলেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সুসম্পর্ক বজায় থাকবে কি না, তা অনেকটাই ফারাক্কা চুক্তির ওপর নির্ভর করছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই সরকার সব সিদ্ধান্ত নেবে।
তিনি আরও বলেন, চলতি বছর ফারাক্কা চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে। তাই নতুন করে চুক্তি নবায়নে ভারতকে এগিয়ে আসতে হবে। তবে বাংলাদেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখেই ফারাক্কা ব্যারাজ চুক্তি নবায়ন করা হবে।
আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে পুতিনের অভিনন্দন
পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণকে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, জনগণের প্রত্যাশা ও জাতীয় স্বার্থকে সামনে রেখেই ফারাক্কা ইস্যুর সমাধানে আলোচনা ও সমঝোতা হওয়া প্রয়োজন।
সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে মির্জা ফখরুল বলেন, একটি গোষ্ঠী নানাভাবে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে। তবে জনগণ গণতন্ত্র রক্ষায় সচেতন রয়েছে এবং কোনো ষড়যন্ত্র সফল হতে দেবে না।
এ বিষয়ে দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বানও জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় পানি সংকট, পরিবেশ বিপর্যয় এবং সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, দেশে উগ্র সাম্প্রদায়িকতার বিস্তার ঘটছে, যা নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। পাশাপাশি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িকতা উসকে দেওয়ার অভিযোগও তোলেন তিনি।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, “প্রতিবেশীর সঙ্গে বিরোধ চাই না, তবে দাসত্বের শৃঙ্খলেও আবদ্ধ থাকতে চাই না।”
আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদুসহ দলের কেন্দ্রীয় নেতারা।





