১৭ বছর পর স্বাধীনভাবে জিয়াকে স্মরণ করার সুযোগ পেয়েছি: মির্জা ফখরুল

Any Akter
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ১:০১ অপরাহ্ন, ৩০ মে ২০২৬ | আপডেট: ১:৫৫ অপরাহ্ন, ৩০ মে ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর প্রতিষ্ঠাতা, সাবেক রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে তার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা।

শনিবার (৩০ মে) রাজধানীর জিয়া উদ্যানে অবস্থিত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধি জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে দলটি স্বাভাবিকভাবে শাহাদাতবার্ষিকী পালন করতে পারেনি।

আরও পড়ুন: আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ৬ নবজাতকের মৃত্যু: তদন্ত প্রতিবেদন ৩ জুন

মির্জা ফখরুল বলেন, “ফ্যাসিবাদের জাতাকলে পিষ্ট হয়ে আমরা ১৭ বছর ধরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী স্বাভাবিকভাবে পালন করতে পারিনি। আজ আমরা অনেক বেশি স্বাধীনভাবে এখানে এসে আমাদের প্রিয় নেতাকে স্মরণ করার সুযোগ পেয়েছি।”

তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আধুনিক, উন্নয়নমুখী ও সুশাসনভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনের যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, বর্তমান সরকার সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে সংস্কার কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

আরও পড়ুন: শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা : রাষ্ট্রপতি

বিএনপি মহাসচিবের ভাষ্য, জিয়াউর রহমান পুরোনো ব্যবস্থার পরিবর্তে আধুনিক রাষ্ট্র পরিচালনা ও সুশাসনের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন। দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য তার প্রণীত দর্শন আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক।

তিনি আরও বলেন, “আজ তারই যোগ্য পুত্র তারেক রহমান সেই আদর্শ ও পথনির্দেশনা অনুসরণ করে এগিয়ে যাচ্ছেন। আমরা বারবার শহীদ জিয়াউর রহমানকে স্মরণ করতে চাই এবং তার আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করতে চাই।”

মির্জা ফখরুল বলেন, দেশের চলমান সংস্কার কার্যক্রমও জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রচিন্তা ও উন্নয়ন দর্শনের আলোকে পরিচালিত হচ্ছে। ভবিষ্যতেও তার দেখানো পথ অনুসরণ করে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেন। সমাধিতে ফাতিহা পাঠ, দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে শহীদ রাষ্ট্রপতির রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয়।