পাশের হার কম হওয়ার কারণ জানালেন ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান

Any Akter
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ২:২০ অপরাহ্ন, ১০ অগাস্ট ২০২৬ | আপডেট: ৮:২০ অপরাহ্ন, ১০ অগাস্ট ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ইংরেজি ও গণিত—এই দুটি বিষয়ে শিক্ষার্থীদের ফেল করার হার তুলনামূলক বেশি হওয়ায় সামগ্রিকভাবে পাসের হার কমে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকার চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান। সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বলেন, ‘সকল বোর্ডের ফলাফল পর্যালোচনা করে দেখেছি, আমরা যখন পরীক্ষা দিয়েছি তখন থেকে এখন পর্যন্ত ইংরেজি ও গণিত—এই দুটি বিষয়ে ফেলের হার বাড়ে এবং পাসের হার কমে।’

আরও পড়ুন: রাজধানীর দুই এলাকায় রাজউকের মোবাইল কোর্ট অভিযান

তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে ইংরেজি ও গণিত বিষয়ে শিক্ষার্থীদের ফলাফল অন্যান্য বিষয়ের তুলনায় উদ্বেগের কারণ হয়ে রয়েছে। এ দুটি বিষয়ে দুর্বলতার প্রভাব সামগ্রিক ফলাফলের ওপরও পড়ে।

এদিকে সোমবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এবার সারাদেশে গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী।

আরও পড়ুন: অপতথ্য ও এআইয়ের অপব্যবহার রোধে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

গত বছর, অর্থাৎ ২০২৫ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সারাদেশে গড় পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। ওই বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন শিক্ষার্থী।

হিসাব অনুযায়ী, গত বছরের তুলনায় এবার গড় পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ২০ শতাংশ পয়েন্ট। একই সঙ্গে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমেছে ২২ হাজার ৩৫৬ জন।

ফলাফলের এই অবনতির কারণ বিশ্লেষণ করতে গিয়ে ইংরেজি ও গণিতের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের দুর্বলতার বিষয়টি সামনে এসেছে। শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের মতে, এসব বিষয়ে ভিত্তি শক্ত করতে পাঠদান পদ্ধতি, নিয়মিত অনুশীলন এবং শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন অনুযায়ী সহায়তা বাড়ানো গুরুত্বপূর্ণ।

এবারের ফলাফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাসের হার ও জিপিএ-৫ কমে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের ইংরেজি ও গণিতে দক্ষতা বাড়াতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে।