মিরপুরে শ্রমিক আন্দোলন ঘিরে সতর্ক পুলিশ, যান চলাচল স্বাভাবিক
শ্রমিকদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে চলমান আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রাজধানীর মিরপুর এলাকায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে পুলিশ। তবে সোমবার (২ নভেম্বর) মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বর এলাকায় যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে এবং কোথাও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেনি বলে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। সোমবার মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বরের পুলিশ বক্সের সামনে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার মো. মহিদুল ইসলাম।
তিনি বলেন, শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবির বিষয়ে রোববার শ্রমিক মজুরি বোর্ড গঠনের খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। এ বিষয়ে আলোচনা চলছে। পুলিশ শ্রমিকদের সঙ্গেও কথা বলেছে। বোর্ড গঠনের খবর জানার পর শ্রমিকদের আন্দোলন বন্ধ হওয়ার কথা। সোমবার শ্রমিকদের কাউকে আন্দোলনে আসতে দেখা যায়নি।
আরও পড়ুন: আগামীকাল মির্জা ফয়সল আমীন ও এলিজা জামানের শপথ
মহিদুল ইসলাম বলেন, এলাকার পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক। শ্রমিক আন্দোলনের নামে কেউ যাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, সড়ক অবরোধ, ভাঙচুর কিংবা সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করতে না পারে, সে জন্য পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি টহল দলও দায়িত্ব পালন করছে।
আশপাশের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কিছু পোশাক কারখানা ছুটি ঘোষণা করেছে বলে পুলিশের কাছে তথ্য রয়েছে। তবে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। জননিরাপত্তা ও যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ কাজ করছে।
আরও পড়ুন: আন্দোলনে সহিংসতা-ভাঙচুরে ভাড়াটে লোক নিয়োগের অভিযোগ শ্রমিক নেতাদের
রোববারের ভাঙচুর ও গ্রেপ্তারের বিষয়ে ডিএমপির এই কর্মকর্তা বলেন, মিরপুরের ১২ নম্বর এলাকায় পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন অভিযানে মিরপুর বিভাগ থেকে ২৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যারা আইন অমান্য করে সড়ক অবরোধ, গাড়ি বা কারখানায় ভাঙচুর এবং জনগণের জানমাল বা রাষ্ট্রীয় সম্পদের ক্ষতি করার চেষ্টা করছে, তাদের অপরাধী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। তাদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।





