৭ নভেম্বরেই প্রকৃত স্বাধীনতা ফিরে পায় জাতি: রিজভী

Sadek Ali
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:১৫ পূর্বাহ্ন, ০৭ নভেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ১১:২২ অপরাহ্ন, ০৭ নভেম্বর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

৭ নভেম্বরের বিপ্লবের মধ্য দিয়ে দেশের মানুষ প্রকৃত স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব শক্তিশালী করার অঙ্গীকার খুঁজে পেয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তাঁর মতে, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মুক্তির মধ্য দিয়ে জাতি নতুন করে পথের দিশা পেয়েছিল।

শনিবার (৭ নভেম্বর) শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন রিজভী।

আরও পড়ুন: জামায়াতের ৭৭টি সাংগঠনিক কমিটি ঘোষণা, ৫১ জেলার আমির দায়িত্বে পুরোনোরা

তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি মাত্র দুই-তিন মিনিটের মধ্যে গোটা জাতিকে চিরতরে শৃঙ্খলিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। আইন প্রণয়ন ও বাকশাল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মানুষের নাগরিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে পাল্টাপাল্টি সংঘাত ও মর্মান্তিক রক্তপাতের পরিস্থিতি তৈরি হয়।

রিজভীর ভাষ্য, ওই সময় দেশকে এক অরাজক পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল। পুরো দেশ অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়। এমন পরিস্থিতিতে মানুষের প্রত্যাশা ছিল প্রকৃত স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের স্বাদ ফিরে পাওয়া। জিয়াউর রহমান সেই প্রত্যাশা পূরণ করেছিলেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

আরও পড়ুন: শেখ মুজিব রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলার ভয়ে স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি: ডা. আউয়াল

বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, ২৩ নভেম্বর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও তাঁর পরিবারকে ক্যান্টনমেন্টের বাসায় বন্দি করে রাখা হয়। এতে স্বাধীন জাতি হিসেবে দেশের মানুষের স্বাধীনভাবে বিকশিত হওয়ার আশা-আকাঙ্ক্ষা হতাশায় রূপ নেয়। চারদিকে অরাজকতা ও শঙ্কা বিরাজ করছিল। এমন পরিস্থিতিতে ৭ নভেম্বর জিয়াউর রহমান মুক্তি পান। তাঁর মুক্তির মধ্য দিয়ে জাতি আবারও নতুন পথের সন্ধান পায়।

রিজভী বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়ন ও উৎপাদনে এগিয়ে যায় এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মর্যাদাপূর্ণ রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। তাঁর নেতৃত্বেই দেশের মানুষ বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরে পেয়েছিল।