নাহিদ তানজিদ শান্তর নৈপুণ্যে সিরিজ সমতায় বাংলাদেশ

Sanchoy Biswas
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ৭:০১ অপরাহ্ন, ২০ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ১০:২২ পূর্বাহ্ন, ২১ এপ্রিল ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

নাহিদ রানার অসাধারণ বোলিংয়ের পর তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্তর ব্যাটিং নৈপুণ্যে ৬ উইকেটের দাপুটে জয়ে সিরিজে সমতায় ফিরল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।

গত শুক্রবার তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ২২ রানে হেরে ব্যাকফুটে চলে যাওয়া বাংলাদেশ আজ সিরিজ বাঁচানোর চ্যালেঞ্জ নিয়ে মাঠে নেমে ব্যাটে-বলে দারুণ পারফরম্যান্স করে।

আরও পড়ুন: ৮ বছর পর ওয়ানডে দলে ৪০ বছরের ক্রেমার

আজ সোমবার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় সফরকারী নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দল। আগে ব্যাট করতে নেমে নাহিদ রানার গতির মুখে পড়ে ৪৮.৪ ওভারে ১৯৮ রানেই অলআউট হয় নিউজিল্যান্ড। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৮৩ রান করেন ওপেনার নিক কেলি। বাকি ব্যাটসম্যানরা ছিলেন আসা-যাওয়ার মিছিলে।

বাংলাদেশ দলের হয়ে ১০ ওভারে মাত্র ৩২ রানে ৫ উইকেট শিকার করেন নাহিদ রানা। আরেক পেসার শরিফুল ইসলাম ১০ ওভারে মাত্র ৩২ রান খরচ করে শিকার করেন দুই উইকেট। একটি করে উইকেট নেন তাসকিন আহমেদ, সৌম্য সরকার ও লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন।

আরও পড়ুন: ‘তামিম খেলোয়াড় ছিল, আমরা খেলোয়াড়দের সুবিধা-অবকাঠামোকে প্রাধান্য দিচ্ছি’

১৯৯ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দলীয় মাত্র ২১ রানে দুই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ৮ রান করে ফেরেন ওপেনার সাইফ হাসান এবং তিন নম্বর পজিশনে ব্যাটিংয়ে নামা সৌম্য সরকার।

এরপর দলের হাল ধরেন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও সাবেক অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। তৃতীয় উইকেটে তারা ১১০ বলে ১২০ রানের জুটি গড়েন। ওপেনিংয়ে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ১৪১ রানে আউট হন তানজিদ হাসান তামিম। তিনি ৫৮ বলে ১০টি চার ও ৪টি ছক্কার সাহায্যে দলীয় সর্বোচ্চ ৭৬ রান করেন।

তানজিদ আউট হওয়ার পর ব্যাট করতে নেমে দ্রুতই ফেরেন উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান লিটন কুমার দাস। তিনি ক্যারিয়ারের শততম ম্যাচ খেলতে নেমে ১১ বলে ৭ রানের বেশি করতে পারেননি।

৭১ বলে ৫টি চার ও দুটি ছক্কার সাহায্যে ৫০ রান করার পর আঙুলে ব্যথা পেলে মাঠ ছাড়েন সাবেক অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। তার বিদায়ের পর অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজকে সঙ্গে নিয়ে ৮৭ বল আগেই দলের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন তাওহীদ হৃদয়। তাওহীদ ৩১ বলে ৩০ রান করে অপরাজিত থাকেন। ২৫ বলে ৮ রান করেন মিরাজ।