শেরপুর-৩ আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেলেন দলের নুরুজ্জামান বাদলের ছোটভাই মাসুদ

Sanchoy Biswas
রাকিবুল আওয়াল পাপুল, শেরপুর জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৭:১০ অপরাহ্ন, ০১ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ৮:৫৪ অপরাহ্ন, ০১ মার্চ ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী মারা যাওয়ায় বাতিল হওয়া শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন দলের মৃত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের সহোদর ছোটভাই মাসুদুর রহমান মাসুদ। ১ মার্চ রবিবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা জামায়াতের সহকারী জেনারেল সেক্রেটারি গোলাম কিবরিয়া। মাসুদুর রহমান জেলা জামায়াতের ব্যবসায়িক শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক।

জানা যায়, মাসুদুর রহমান অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য। অবসরের পর থেকে তিনি এলাকায় ব্যবসার পাশাপাশি বড়ভাই নুরুজ্জামান বাদলের হাত ধরে জামায়াতের রাজনীতিতে সক্রিয় হন। বাতিল হওয়া নির্বাচনে বড়ভাইয়ের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে মাঠেও ছিলেন তৎপর। প্রার্থীর মৃত্যুর পর তার আবেগতাড়িত বক্তব্যসহ নানা উদ্যোগে তিনি সবার আলোচনায় উঠে আসেন।

আরও পড়ুন: কুলাউড়ায় হাসপাতালের সংকট সমাধানে এমপি শকুর আশ্বাস

জেলা জামায়াতের সহকারী জেনারেল সেক্রেটারি গোলাম কিবরিয়া জানান, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য ও তৃণমূলের মতামতের ভিত্তিতে শেরপুর-৩ আসনে নুরুজ্জামান বাদলের সহোদর ছোটভাই মাসুদুর রহমান মাসুদের নাম সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসেবে কেন্দ্রে পাঠানো হয়। পরে কেন্দ্র থেকে তার মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ৩ ফেব্রুয়ারি শেরপুর-৩ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা যাওয়ায় এ আসনের নির্বাচন প্রথমে স্থগিত ও পরে বাতিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। এরপর আগামী ৯ এপ্রিল নির্বাচনে ভোটগ্রহণের দিন ধার্য করে নতুন করে তফসিল ঘোষণা করা হয়। তবে প্রয়োজন না থাকায় এ আসনে গণভোট হবে না। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২ মার্চ রিটার্নিং অফিসার বা সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কাছে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ। মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের শেষ তারিখ ৫ মার্চ। বাছাইয়ে রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের তারিখ ৬-১০ মার্চ। আপিল নিষ্পত্তির তারিখ ১১ মার্চ। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৪ মার্চ। আর প্রতীক বরাদ্দের তারিখ ১৫ মার্চ। তবে আগের বৈধ প্রার্থীদের নতুন করে মনোনয়নপত্র দাখিল করতে হবে না।

আরও পড়ুন: ধলাদিয়ায় ভুয়া সনদে ফার্মেসি পরিচালনার অভিযোগ, তদন্তে ঔষধ প্রশাসন