চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে ৮ কোটি টাকার হেরোইন জব্দ, গ্রেফতার ৩

Any Akter
চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশিত: ৬:৫৩ অপরাহ্ন, ০৭ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ৮:৫৬ অপরাহ্ন, ০৭ এপ্রিল ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

চট্টগ্রামে অভিযান চালিয়ে ৮ কোটি টাকা মূল্যের হেরোইনসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। কর্ণফুলী থানার পটিয়া ক্রসিং এলাকায় অভিযানে ১৪ হাজার পিস ইয়াবাও উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ বলছে, আন্তর্জাতিক চোরাচালানের মাধ্যমে মায়ানমার থেকে কক্সবাজারে এসেছে এসব হেরোইন। পরে এগুলো ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। মঙ্গলবার চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ।গ্রেফতারকৃতরা  হলেন মো. আলী হোসাইন (৪২), মো. আজিম (৪০) ও হেল্পার মুহাম্মদ রাশেল (৪৯)। আলী হোসাইন এর আগেও ইয়াবাসহ তাঁকে করেছিল পুলিশ ।

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ বলেন, মঙ্গলবার ভোরে গোয়েন্দা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানটি পরিচালনা করে।পটিয়া ক্রসিং এলাকায় কক্সবাজার থেকে আসা হানিফ পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসকে থামার সংকেত দেওয়া হয়। বাসটি না থামিয়ে দ্রুতগতিতে পালানোর চেষ্টা করে। পরবর্তীতে অভিযানে থাকা টিম বাসটিকে ধাওয়া করে বাসে থাকা ড্রাইভার, সুপারভাইজার ও হেল্পারকে আটক করে। আটকের পর সংকেত অমান্য করে পালানোর কারণ জিজ্ঞাসা করলে আসামিরা জানায়, গাড়িতে অবৈধ মাদকদ্রব্য থাকার কারণে তারা গাড়িটি না থামিয়ে পালানোর চেষ্টা করেছিল।তিনি আরো বলেন, পরবর্তীতে বাসের পেছনের অংশে বডির নিচে বিশেষ কায়দায় রক্ষিত অবস্থায় ৮ কেজি হেরোইন ও ১৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ বাসটি জব্দ করা হয়।

আরও পড়ুন: তিনদিন মোটরসাইকেল নিষিদ্ধ, নির্দিষ্ট সময়ে অন্যান্য যানেও নিয়ন্ত্রণ

পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, হেরোইন ও ইয়াবা কক্সবাজারের দুইজন ব্যক্তির কাঝ থেকে তারা সংগ্রহ করছিলেন। পরে এগুলো ঢাকায় ২ ব্যক্তির নিকট হস্তান্তর করার কথা ছিল। এই চক্রের সঙ্গে জড়িত সবাই পেশাদার মাদককারবারি। ঘটনার সঙ্গে জড়িত বাকিদের নাম জানার চেষ্টা চলছে। এই ঘটনায় কর্ণফুলী থানায় মামলা করা হয়েছে। এই ঘটনায় আর কারা জড়িত, তা বের করা হবে। 

তিনি বলেন, হেরোইন আন্তর্জাতিক চোরাচালানের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। যেহেতু কক্সবাজার থেকে এগুলো চট্টগ্রামে আসছে, আমরা ধারণা করছি এটি মায়ানমার হয়ে এসেছে। আমরা তদন্তের মাধ্যমে হেরোইন আসার রুটটি চিহ্নিত করব। কার কাছে এগুলো যেত, তা আসামিরা এখনো স্বীকার করেনি।

আরও পড়ুন: ফ্লাইওভারসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করলেন রাসিক প্রশাসক