কাপাসিয়ায় পাঁচ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলা
গাজীপুরের কাপাসিয়ায় স্ত্রী, শ্যালক ও তিন সন্তানসহ পাঁচজনকে গলা কেটে হত্যার চাঞ্চল্যকর ঘটনায় ঘাতক মোঃ ফোরকান মোল্লা (৪০) ও অজ্ঞাতনামা ৩/৪ জনের বিরুদ্ধে কাপাসিয়া থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। শনিবার (৯ মে) রাতে ফোরকানের শ্বশুর মোঃ শাহাদৎ মোল্লা বাদী হয়ে ১৮৬০ সালের পেনাল কোডের ৩২৮/৩০২/৩৪ ধারায় একটি হত্যা মামলা (নং-১৭) দায়ের করেন। সে গোপালগঞ্জ সদরের গোপীনাথপুর গ্রামের আতিয়ার রহমান মোল্লার পুত্র।
মামলার বাদী গোপালগঞ্জ জেলা সদরের পাইককান্দি এলাকার বাসিন্দা মোঃ শাহাদৎ মোল্লার দায়েরকৃত অভিযোগের বিবরণে জানা যায়, ফোরকান মোল্লা তাঁর মেয়ে শারমিন খানম ও তিন কন্যাকে নিয়ে গত ছয় মাস যাবৎ কাপাসিয়া উপজেলা সদরের রাউৎকোনা গ্রামের সিঙ্গাপুরপ্রবাসী মনির হোসেনের বাড়িতে ভাড়া বাসায় বসবাস করছিল। বাদীর ভাষ্য অনুযায়ী, আসামি দীর্ঘদিন ধরেই পারিবারিক খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে ঝগড়ায় লিপ্ত হয়ে স্ত্রী শারমিনকে মারধর করত।
আরও পড়ুন: মা দিবসে উঠে এলো শরীয়তপুরের এক মায়ের হৃদয়ছোঁয়া জীবন-সংগ্রামের গল্প
৮ মে ফোরকান তার শ্যালক রসুল মোল্লাকে চাকরি দেওয়ার কথা বলে ফোন করে তাকে কাপাসিয়ায় নিয়ে আসে। ওই রাত ৮টা থেকে ভোর ৫টার মধ্যবর্তী সময়ে আসামি তার স্ত্রী শারমিন (৩৫), শ্যালক রসুল মোল্লা (২২), কন্যা মীম (১৬), মারিয়া (৮) ও ফারিয়া (২)-কে পূর্বপরিকল্পিতভাবে নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন করিয়ে অচেতন করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে হত্যা করে পালিয়ে যায়।
থানা পুলিশ শনিবার সকালে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
আরও পড়ুন: শেরপুরে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত
শনিবার সকালে মর্মান্তিক এই ঘটনার খবরে শত শত মানুষ ঘটনাস্থলে ভিড় জমান। ঘাতক ফোরকান মিয়া পরিকল্পিতভাবে হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় আবু মুসা নামে তার এক চাচাতো ভাইকে ফোন করে বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে তিনি গাজীপুরের মাস্টারবাড়ী এলাকা থেকে ঘটনাস্থলে আসেন।





