সরাইলে শিশুকে চিপসের লোভ দেখিয়ে ধর্ষণ, অভিযুক্ত পলাতক

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৪:৫৩ অপরাহ্ন, ২৪ মে ২০২৬ | আপডেট: ৬:০১ অপরাহ্ন, ২৪ মে ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে ৯ বছর বয়সী এক মাদরাসাছাত্রীকে চিপস কিনে দেওয়ার কথা বলে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে। গতকাল শনিবার (২৩ মে) দুপুরে উপজেলার তেলিকান্দা উত্তর পাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় ওই শিশুকে রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম সহিদ মিয়া। ঘটনার পর থেকেই তিনি এলাকা ছেড়ে পলাতক রয়েছেন।

আরও পড়ুন: ম্যাসেঞ্জারে বিরক্তের পর ঘরে ঢুকে গৃহবধূকে ধর্ষণ, বাড়ির মালিক গ্রেপ্তার

হাসপাতাল ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুরে বাড়ির পাশে খেলছিল শিশুটি। এ সময় প্রতিবেশী সহিদ মিয়া তাকে চিপস কিনে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে একটি দূরবর্তী নির্জন স্থানে নিয়ে যান এবং সেখানে তাকে ধর্ষণ করেন। ঘটনাটি কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়। পরে অভিযুক্ত সহিদ নিজেই শিশুটিকে নদীতে গোসল করিয়ে বাড়ির সামনে রেখে আসেন। বাড়ি ফিরে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের কাছে ঘটনাটি খুলে বলে। এরপর দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

এ বিষয়ে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক রতন কুমার ঢালী জানান, ভুক্তভোগী শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হচ্ছে। মেডিকেল রিপোর্ট পাওয়ার পর বিস্তারিত সুনির্দিষ্টভাবে বলা যাবে।

আরও পড়ুন: ঈদ উপলক্ষে ৪ কয়েদির সাজা মওকুফ, মুক্তির নির্দেশ

সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনজুর কাদের ভূইয়া জানান, জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এর মাধ্যমে বিষয়টি জানার পর পুলিশ তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নিয়েছে। যদিও এই ঘটনায় এখনও কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি, তবে বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর হওয়ায় পুলিশ ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত সহিদ মিয়াকে গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করেছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।