গাকৃবি উপাচার্যের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের অবার্ন ও পারডু ইউনিভার্সিটির প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

Sanchoy Biswas
গাজী মামুন, গাজীপুর
প্রকাশিত: ৬:৫৮ অপরাহ্ন, ৩০ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ৮:১৭ অপরাহ্ন, ৩০ জুলাই ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (গাকৃবি)-এর উপাচার্য শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড. জিকেএম মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি স্বনামধন্য উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদলের এক আন্তরিক ও ফলপ্রসূ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলরের কার্যালয়ে এই উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন পারডু ইউনিভার্সিটি ফোর্ট ওয়েন-এর প্রখ্যাত অধ্যাপক ড. আহমেদ মুস্তফা এবং অবার্ন ইউনিভার্সিটির কলেজ অব এগ্রিকালচার-এর সহকারী অধ্যাপক টিমোথি জে. ব্রুস। মূলত পারডু ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. আহমেদ মুস্তফার সার্বিক সমন্বয় ও সহযোগিতায় এই আন্তর্জাতিক সৌজন্য সাক্ষাৎটি বাস্তবায়িত হয়।

আরও পড়ুন: ফটিকছড়িতে ‘তাজকিয়া হেলথ ক্যাম্প-২০২৬’ অনুষ্ঠিত

বৈঠককালে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয় দুটির মধ্যে পারস্পরিক শিক্ষা, গবেষণা ও প্রযুক্তি বিনিময়ের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশেষ করে আধুনিক কৃষিবিজ্ঞান, মৎস্যসম্পদ উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং টেকসই খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে যৌথ গবেষণা প্রকল্প পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। উপাচার্য প্রফেসর ড. জিকেএম মোস্তাফিজুর রহমান বিদেশি অতিথিদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান এবং গাকৃবির শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়নে এ ধরনের বৈশ্বিক সহযোগিতা অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

গুরুত্বপূর্ণ এই দ্বিপাক্ষিক আলোচনা সভায় গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আরও উপস্থিত ছিলেন ফিশারিজ অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. ফারহানা হক, ফিশারিজ বায়োলজি অ্যান্ড অ্যাকুয়াটিক এনভায়রনমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক ড. এস. এম. রফিকুজ্জামান এবং সহকারী অধ্যাপক ইব্রাহিম রশিদ। এছাড়াও দেশের উচ্চশিক্ষা খাতের অন্যতম অংশীদার ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির একটি প্রতিনিধিদলও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: সিলেটে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা

সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে উভয় পক্ষের প্রতিনিধিরা স্মারক উপহার বিনিময় করেন। এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকটি গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক সুদৃঢ়করণ এবং বৈশ্বিক অঙ্গনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।