জিএস বাচ্চু শহীদ স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি, দরিদ্র মেধাবীদের বিনা খরচে পড়াশোনার উদ্যোগ

Sanchoy Biswas
নিকলী (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৯:৩০ অপরাহ্ন, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ৪:০২ পূর্বাহ্ন, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার কারপাশা ইউনিয়নের শহীদ স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মো. বদরুল আলম বাচ্চু ওরফে জিএস বাচ্চু। তিনি বাজিতপুর সরকারি কলেজের সাবেক জিএস এবং নিকলী উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি।

জিএস বাচ্চু সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর কারপাশা এলাকায় আনন্দ ও উৎসাহের সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাঁকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন: আওয়ামী লীগের সন্ত্রাস-নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ

নতুন দায়িত্ব গ্রহণের পর জিএস বাচ্চু কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মুজিবুর রহমান ইকবালের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

জিএস বাচ্চু বলেন, “শিক্ষা জাতির উন্নয়ন ও অগ্রগতির অন্যতম প্রধান চাবিকাঠি। দায়িত্ব পাওয়ার পর বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়নের পাশাপাশি নারী শিক্ষার প্রসার ও শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ, সুন্দর ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে চাই।”

আরও পড়ুন: অপ্রতিম হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দুই কিশোর টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে

তিনি বলেন, “আমাদের এলাকার কোনো দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থী যেন অর্থের অভাবে পড়াশোনা বন্ধ করে দিতে বাধ্য না হয়, সেটি আমার অন্যতম অগ্রাধিকার। এ ধরনের শিক্ষার্থীদের চিহ্নিত করে বিনা খরচে পড়াশোনার সুযোগ করে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।”

বিদ্যালয়ের উন্নয়নকে একটি সম্মিলিত দায়িত্ব উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, “একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নিতে শুধু কমিটি বা একজন ব্যক্তির উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর সম্মিলিত প্রচেষ্টাই পারে বিদ্যালয়কে একটি আদর্শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে। তাই দল-মত ও ব্যক্তিগত মতপার্থক্যের ঊর্ধ্বে উঠে বিদ্যালয়ের স্বার্থে আমি সবার সহযোগিতা কামনা করছি।”

জিএস বাচ্চু আরও বলেন, “একজন শিক্ষানুরাগী হিসেবে এই দায়িত্বকে আমি শুধু একটি পদ হিসেবে দেখছি না; বরং শিক্ষার্থী ও এলাকার মানুষের কল্যাণে কাজ করার একটি সুযোগ হিসেবে দেখছি। দায়িত্ব পালনে সবার পরামর্শ ও সহযোগিতা নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে চাই।”

স্থানীয়রা জানান, নতুন এডহক কমিটির সভাপতির নেতৃত্বে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ ও মানোন্নয়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে—এমন প্রত্যাশা তাদের। বিশেষ করে দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বিনা খরচে পড়াশোনার সুযোগ দেওয়ার উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে তা এলাকার শিক্ষাক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে বলে মনে করছেন তারা।