বাংলাবাজার পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন ইউএনওর, ১০ দিনের মধ্যে সংস্কারের উদ্যোগ

Shahrier Islam Pallab
সাইফুল ইসলাম বাবু, জৈন্তাপুর (সিলেট) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৫:১৪ অপরাহ্ন, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার মোকামপুঞ্জি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঝুঁকিপূর্ণ ভবন নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজ সুনন্দা রায়। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) তিনি বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেণিকক্ষ ঘুরে দেখেন। এ সময় ছাদের প্লাস্টার ধসে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানগুলো আগামী ১০ দিনের মধ্যে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়। আগামী শনিবার থেকে সংস্কারকাজ শুরু হবে বলে জানানো হয়েছে।

পরিদর্শনকালে উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জাহাঙ্গীর আলম, শিক্ষা কর্মকর্তা আনোয়ার পারভেজ, বিদ্যালয়ের গভর্নিং বডির সভাপতি ইমাম উদ্দিন ও প্রধান শিক্ষক আলমল আলি উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: মৌলভীবাজারে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় সতর্ক ৪৬ বিজিবি

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৯২ সালে নির্মিত ভবনটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। সম্প্রতি শ্রেণিকক্ষে পাঠদান চলাকালে ভবনের ছাদের একটি অংশের প্লাস্টার ধসে পড়ে। এতে অল্পের জন্য বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পায় কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। ভবনের বিভিন্ন অংশ থেকে আরও প্লাস্টার খসে পড়ার আশঙ্কা থাকায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়।

এ পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত সংস্কারকাজের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজার ছুটিতে বিদ্যালয় বন্ধ থাকার সময় সংস্কারকাজ সম্পন্ন করা হবে বলে জানানো হয়।

আরও পড়ুন: গাজীপুরে রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে মাদক কারবারিদের সশস্ত্র হামলা, আহত ২

উল্লেখ্য, গত ৮ অক্টোবর দৈনিক বাংলাবাজার পত্রিকায় ‘মোকামপুঞ্জি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন চরম ঝুঁকিপূর্ণ, ক্লাস চলাকালে ছাদের অংশ ধসে পড়েছে’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। ওই সংবাদে বিদ্যালয়ের জরাজীর্ণ ভবন, শ্রেণিকক্ষে ছাদের অংশ ধসে পড়া এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছিল।


সংবাদ প্রকাশের পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বিদ্যালয় পরিদর্শন এবং সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। দ্রুত সংস্কারকাজ সম্পন্ন হলে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ পরিবেশে পাঠদান নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।