সীমান্তে বিজিবির বাধা
লালমনিরহাট সীমান্তে নারী-শিশুসহ ১২ জনকে পুশইনের চেষ্টা বিএসএফের
লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী ইউনিয়নের বামনদল সীমান্ত দিয়ে নারী ও শিশুসহ ১২ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিবি)-এর বাধার মুখে তাদের বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। বর্তমানে ওই ১২ জন বাংলাদেশের সীমান্ত থেকে প্রায় ২০০ গজ ভারতের অভ্যন্তরে, বুড়িমারী সীমান্তের ৮৩৮/১ নম্বর পিলারসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় বিএসএফের সঙ্গে পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানিয়েছে বিজিবি।
১৮ অক্টোবর দিবাগত রাত থেকে ১৯ অক্টোবর ভোররাতের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে বলে সীমান্তসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
আরও পড়ুন: গফরগাঁওয়ে দুর্গাপূজা উপলক্ষে অসচ্ছল সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ
সীমান্তে বিজিবির বাধা
সীমান্তসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী ইউনিয়নের বামনদল সীমান্তের ৮৩৮/১ নম্বর পিলারসংলগ্ন এলাকা দিয়ে নারী ও শিশুসহ ১২ জনকে বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এ সময় সীমান্তে দায়িত্ব পালনরত বিজিবি সদস্যরা বিষয়টি নজরে এনে বাধা দেন। ফলে তাদের বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা সফল হয়নি।
আরও পড়ুন: হরিরামপুরে হারুকান্দি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন
বিজিবির বাধার পর ওই ১২ জন ভারতের অভ্যন্তরেই অবস্থান করছেন। তবে তাঁদের নাম-পরিচয়, জাতীয়তা, স্থায়ী ঠিকানা এবং কী পরিস্থিতিতে তাঁরা সীমান্ত এলাকায় পৌঁছেছেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পতাকা বৈঠকের আহ্বান বিজিবির
ঘটনাটি নিয়ে বিএসএফের সঙ্গে আলোচনার জন্য পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানিয়েছে বিজিবি। বৈঠকের মাধ্যমে ওই ১২ জনের পরিচয় ও জাতীয়তা যাচাই, সীমান্তে তাঁদের অবস্থানের কারণ এবং পরবর্তী করণীয় নির্ধারণের বিষয়টি গুরুত্ব পেতে পারে।
তবে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে কি না কিংবা এ বিষয়ে বিএসএফের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পরিচয় ও পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে অপেক্ষা
সীমান্তে নারী ও শিশুসহ ১২ জনের অবস্থানের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। তাঁদের পরিচয় ও জাতীয়তা যাচাইয়ের পাশাপাশি সার্বিক নিরাপত্তা এবং মানবিক দিক বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সীমান্ত এলাকায় এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ এবং প্রচলিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা অনুসরণ জরুরি। একই সঙ্গে সীমান্তে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সতর্ক অবস্থান ও সমন্বিত উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ।
এ বিষয়ে বিজিবি ও বিএসএফের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য, পতাকা বৈঠকের ফলাফল এবং ওই ১২ জনের পরিচয় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেলে ঘটনার পরবর্তী পরিস্থিতি আরও স্পষ্ট হবে।





