মিলিটারি ইঞ্জিনিয়ার সার্ভিসেসের বার্ষিক সম্মেলনে নৌবাহিনী প্রধান
ঢাকা সেনানিবাসস্থ এমইএস কনভেনশন হলে মিলিটারি ইঞ্জিনিয়ার সার্ভিসেস (এমইএস)-এর তিন দিনব্যাপি বার্ষিক সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের কার্যক্রম আজ বুধবার সম্পন্ন হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান। সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার ইন চিফ মেজর জেনারেল মোঃ হাসান-উজ-জামান।
নৌবাহিনী প্রধান তাঁর বক্তব্যে বিজয়ের মাসে মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী সব বীর শহীদ ও সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি বলেন, এমইএস একটি স্বনামধন্য আন্তঃবাহিনী সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দক্ষতা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছে। ‘সেবাই ব্রত’—এই মূলমন্ত্র ধারণ করে সংস্থাটিকে আধুনিক প্রকৌশল প্রযুক্তি, ডিজিটাল প্রকল্প ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশবান্ধব নির্মাণনীতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
আরও পড়ুন: মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপনে এতিমদের মাঝে ৫৯ বিজিবি’র ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ
তিনি আশা প্রকাশ করেন, দক্ষ জনবল, টেকসই নকশা ও সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ে প্রকল্প বাস্তবায়নে এমইএস ভবিষ্যতেও তার সুনাম অক্ষুণ্ন রাখবে। প্রতিরক্ষা অবকাঠামো উন্নয়ন ও জাতীয় অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার জন্য সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানান তিনি। পরে প্রধান অতিথি এমইএস কর্মকর্তাদের উত্থাপিত বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন এবং সম্মেলন উপলক্ষে নির্মাণ সামগ্রীর প্রদর্শনী স্টল পরিদর্শন করেন।
সম্মেলনের তৃতীয় দিনে সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা সমন্বয়ে দেশের পাঁচটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানের কারখানা, উৎপাদন প্রক্রিয়া ও পণ্যের গুণগতমান সরেজমিনে পরিদর্শন করা হবে। এর মাধ্যমে কর্মকর্তারা কারিগরি অভিজ্ঞতা অর্জন করবেন, যা সশস্ত্র বাহিনীর চলমান ও ভবিষ্যৎ নির্মাণ প্রকল্পের মান বজায় রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
আরও পড়ুন: ফ্যাসিস্টের কোন পুলিশকেই দেশে থাকতে দেব না, আইজিপি এ ধরনের কোনো বক্তব্য দেননি: পুলিশ সদর দপ্তর
এছাড়া বার্ষিক সম্মেলনে প্রশাসনিক, কারিগরি, আর্থিক, কল্যাণমূলক ও প্রশিক্ষণসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে পূর্ত পরিদপ্তরের পরিচালক, তিন বাহিনীর এমইএস সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, প্রধান প্রকৌশলী ও ভিটিসির মাধ্যমে যুক্ত কর্মকর্তাসহ সর্বস্তরের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।





