সীমান্তে বিজিবির অভিযান, ১ কোটি ৪১ লাখ টাকার চোরাচালান পণ্য জব্দ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কুমিল্লা জেলার সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে প্রায় ১ কোটি ৪১ লাখ ৩৪ হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় অবৈধ চোরাচালান পণ্য জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বুধবার (১ জুলাই) সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি)-এর অধীন বিভিন্ন বর্ডার আউটপোস্টের (বিওপি) টহলদল এসব অভিযান পরিচালনা করে।
বিজিবি জানায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার মঈনপুর, চণ্ডিদার ও কসবা এলাকা এবং কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সালদানদী ও মাদলা সীমান্ত এলাকায় পৃথক অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ভারতীয় বাসমতি চাল, শাড়ি, উন্নতমানের সাবান, গরু, চকলেট, মরিচের বীজ, নিউরোবিন ফোর্টি ট্যাবলেট, চিংড়ি মাছের রেণু এবং গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ চোরাচালান পণ্য জব্দ করা হয়।
আরও পড়ুন: ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ২,৩৫৭ মামলা
বিজিবির হিসাব অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া এসব পণ্যের আনুমানিক সিজারমূল্য ১ কোটি ৪১ লাখ ৩৪ হাজার টাকা।
জব্দকৃত মালামালের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। উদ্ধার করা পণ্য সংশ্লিষ্ট কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এছাড়া মাদকদ্রব্য ও অন্যান্য জব্দকৃত আলামতের বিষয়ে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বিজিবি।
আরও পড়ুন: সামাজিক মাধ্যমে পুলিশের বিরুদ্ধে অপপ্রচারকারীদের চিহ্নিত করে বিচার দাবি
এ বিষয়ে সুলতানপুর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম শরিফুল ইসলাম, এএসসি বলেন, "‘বিজিবি হবে সীমান্তের নিরাপত্তা ও আস্থার প্রতীক’—বিজিবি মহাপরিচালকের এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি চোরাচালান, মাদক পাচার, পুশ-ইন এবং নারী-শিশু পাচার প্রতিরোধে সর্বদা তৎপর রয়েছে। এ লক্ষ্যে সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি ও আভিযানিক কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও সীমান্তে সব ধরনের অপরাধ দমনে বিজিবির এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।"
সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও মাদক পাচার প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে বিজিবি। বাহিনীটি জানিয়েছে, সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি অবৈধ পণ্য ও আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে গোয়েন্দা তৎপরতা এবং টহল কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।





